বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ বলেছে, ২৮ অক্টোবর বিবিসি প্রবাহ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক হামলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন, যা সত্য নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, সন্ন্যাসী প্রান্ত দাস যিনি পানিতে ডুবে মারা গেছেন, প্রকৃতপক্ষে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে পুকুরে ফেলা হয়। অপর ব্যক্তি যতন সাহাকে মণ্ডপ আক্রমণকালে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে।

বিজ্ঞপ্তিতে পরিষদ আরও বলেছে, আরেক পূজামণ্ডপে দিলীপ দাস মন্দিরের গেট বন্ধ করার সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটের আঘাত পান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া কুমিল্লার কাপুড়িয়াপট্টির কালীবাড়িতে হামলার সময় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে অধীর সাহা (৮০) ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার সময় মানিক সাহা (৪০) হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য হিন্দু সম্প্রদায়কে চরমভাবে আহত, ক্ষুব্ধ ও হতাশ করেছে মন্তব্য করে পরিষদ বলেছে, দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে প্রকৃত তথ্য জনগণের কাছে না পৌঁছালে প্রশাসন সম্পর্কে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যায়।

পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব দের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমা ভাঙচুরের কথা স্বীকার করলেও একটি মন্দিরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বাস্তবতাবর্জিত ও সত্যের অপলাপমাত্র। পরিষদ মনে করে, সরকারের দায়িত্বশীল মহলের উচিত কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার প্রকৃত তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরা, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের অসত্য অংশ প্রত্যাহার করে জনগণকে আশ্বস্ত করবেন বলে পরিষদ আশা করে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন