বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, বেলা তিনটায় এমসিকিউ পরীক্ষা শুরু হলে তাঁদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটরের প্রশ্ন দেওয়া হয়। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনা পরীক্ষককে জানান। পরীক্ষক বিকেল চারটার পর আবার পরীক্ষা হবে বলে আশ্বস্ত করলেও আর পরীক্ষা নেননি।

চাকরিপ্রার্থী ইমরান উদ্দিন ও রোস্তম আলী বলেন, তাঁরাসহ ওই কেন্দ্রের অন্তত ৩০০ চাকরিপ্রার্থী এই ভোগান্তিতে পড়েছেন। পরীক্ষার পর তাঁরা কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে কর্তৃপক্ষকে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানান। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আবার পরীক্ষা গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনার কোনো সুরাহা না করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন।

default-image

অবশ্য ওই কেন্দ্রে ‘ভুলক্রমে’ অন্য পদের প্রশ্ন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক। তিনি বলেন, ৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী এ সমস্যায় পড়েছেন। তবে তাঁদের বঞ্চিত না করে কীভাবে উত্তরপত্রগুলো মূল্যায়ন করা যায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০টি কেন্দ্রে মৎস্য অধিদপ্তরের মোট ১৬৭টি পদে আজ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের মার্চে প্রকাশিত সার্কুলার অনুযায়ী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১৩৯ জন, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর ৫ জন, হ্যাচারি টেকনিশিয়ান পদে ৪ জন ও পাম্প অপারেটর পদে ১৯ জন নেওয়া হবে। এসব পদে মোট আবেদন করেছেন ৮৬ হাজার ৮৬৯ জন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন