বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। সেদিন সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম আদালতে হাজির হন। একই সঙ্গে তিনি এ মামলায় জব্দ করা তাঁর পাসপোর্ট, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড এবং দুটি মুঠোফোন ফেরত চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত সেদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খানকে আজ রোববার হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হন।

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী আদালতে বলেন, রোজিনা ইসলামের পাসপোর্টটি জব্দ রয়েছে। আগে থেকে তাঁর শারীরিক নানা জটিলতা রয়েছে। প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডটিও জব্দ রয়েছে। জব্দ রয়েছে তাঁর দুটি মুঠোফোন। প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডটি জব্দ থাকায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে অসুবিধায় পড়ছেন।

এ সময় উপস্থিত তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোর্শেদ খান আদালতে বলেন, তদন্তের স্বার্থে জব্দ করা সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের দুটি মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে রিপোর্ট এসেছে।

এ সময় আদালত রোজিনা ইসলামের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে রোজিনা ইসলামের জামিন মঞ্জুর হয়েছিল। কিন্তু এখন পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হলে আগের সেই শর্ত ভঙ্গ হয়। তখন রোজিনার আইনজীবী বলেন, আদালতে রোজিনা ইসলামের পাসপোর্ট জমা নিয়েছেন। কিন্তু রোজিনা ইসলাম কোথাও যেতে পারবেন না, এমন কোনো শর্ত নেই।

অবশ্য আদালত পরে রোজিনা ইসলামের পাসপোর্ট, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড ও মুঠোফোন ফেরত চেয়ে করা আবেদন নাকচ করে দেন।

রোজিনা ইসলামের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, সিএমএম আদালতের নাকচ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রোজিনার পাসপোর্ট, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড ফেরত চেয়ে আবেদন করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন