বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কক্সবাজারের খুরুসখুলের অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আবদুল আউয়ালের চার সন্তানের মধ্যে জাবেদ দ্বিতীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক করার স্বপ্ন ছিল আউয়ালের। তিনি বলেন, ‘১৯ বছর বয়সে সে (জাবেদ) জেএমবির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। পুরো বুঝতে পারেনি। এটা ইসলাম নয়। এগুলো ইসলামের বিরুদ্ধের পথ।’

আবদুল আউয়াল বলেন, কোনো মা–বাবাই চায় না ছেলে জঙ্গিবাদে জড়াক।

চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন দাশ প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় ৭৭ সাক্ষীর মধ্যে ৩২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। নিজের অপরাধ বুঝতে পারায় ও অনুতপ্ত হওয়ায় আদালত আসামি জাবেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল কম।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবনের মূল ফটকে পুলিশের তল্লাশিচৌকির সামনে বোমা হামলা চালান জেএমবির সদস্যরা। ঘটনাস্থলে নিহত হন পুলিশের কনস্টেবল রাজীব বড়ুয়া ও বিচারপ্রার্থী শাহাবুদ্দীন। আহত হন পুলিশের কনস্টেবল আবু রায়হান, সামসুল কবির, রফিকুল ইসলাম, আবদুল মজিদসহ ১০ জন।

এই মামলার দুই আসামির মধ্যে বোমা মিজানকে ২০০৯ সালের ১৫ মে ঢাকার কাফরুলের তালতলা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে বোমা মিজানসহ জেএমবির তিন নেতাকে ছিনিয়ে নেয় জঙ্গিরা। ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট মিজান কলকাতায় গ্রেপ্তার হন।

বোমা হামলায় আহত পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম রায় ঘোষণার পর তাঁর প্রতিক্রিয়ায় প্রথম আলোকে বলেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলার রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন