default-image

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার সাজ্জাদুর রহমান বলেছেন, ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ধর্ষণ প্রতিরোধে পুলিশ তৎপর আছে। তবে তা ঠেকাতে সামাজিক সচেতনতা দরকার।

আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় পুলিশের ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সারা দেশে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। আজ শনিবার দেশব্যাপী ৬ হাজার ৯১২টি বিট পুলিশিং এলাকায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে সংশ্লিষ্ট বিট এলাকার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, স্থানীয় বাসিন্দাসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আজ বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে সমাবেশ। এতে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের পোশাক পরে অংশ নেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যানার–ফেস্টুন নিয়ে নারী-পুরুষ অংশ নেন। ‘নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বন্ধ করি, নারীবান্ধব দেশ গড়ি’, ‘বন্ধ হোক নারী নির্যাতন, নিশ্চিত হোক দেশের উন্নয়ন’ প্রভৃতি লেখা ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায় তাঁদের হাতে। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন
default-image

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার ৫০ থানা এলাকায় অন্তত ৩০০ স্থানে সমাবেশ হয়েছে। রাজু ভাস্কর্যের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক, ছাত্রলীগ কর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবদুর রহিম বলেন, ‘নির্যাতিত মা-বোনদের পাশে আমরা আছি। ইতিমধ্যে আইন সংশোধন করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে। একটি মামলায় এরই মধ্যে ৫ জনের ফাঁসিও হয়েছে। এতে আমাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। শিক্ষক হিসেবে আমরা বিবৃতি, বক্তব্যের মাধ্যমে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করব।’

সমাবেশে অংশ নিয়ে গৃহিণী লাবণী আক্তার বলেন, পুলিশের সহযোগিতা অনেক জায়গায় পাওয়া যায় আবার অনেক জায়গায় যায় না। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন। ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় ধর্ষকেরা ভয় পাবে।

মন্তব্য পড়ুন 0