বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২৩ সেপ্টেম্বর শাজাহান খানের একান্ত সচিব মো. ইউসুফ হারুন স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদারীপুরের সাংগঠনিক বিরোধ মিটিয়ে দলকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দেন। তিনি শাজাহান খানকে বিষয়টি সমন্বয় করার দায়িত্ব দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি সবাইকে ফোন করেন ও চিঠি দিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর বৈঠক আহ্বান করেন।

কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। আর বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ওই দিন রাজবাড়ীতে সাংগঠনিক সফরে ছিলেন। এ অবস্থায় ২১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ফোনে শাজাহান খানকে সভাটি স্থগিত করে পরবর্তীতে তারিখ নির্ধারণ করতে বলেন। তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করে শাজাহান খান সভাটি স্থগিত করেন।

প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, ‘শাজাহান খানের ওপর আস্থা রাখার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলেই অন্য নেতারা ওই সভায় যাননি’—এমন কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মনগড়া।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: যে সাত কেন্দ্রীয় নেতার ওই বৈঠকে থাকার কথা ছিল, তাঁদের মধ্যে দুজন প্রথম আলোকে বলেছেন, নানা কারণে শাজাহান খানের প্রতি তাঁদের আস্থা নেই। ফলে তাঁর ডাকে সাড়ে দেননি ওই নেতারা। তাঁর ডাকা সভায় যাননি। তাঁদের বক্তব্য প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রয়েছে। একই সঙ্গে সভা না হওয়ার বিষয়ে শাজাহান খান যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তাও প্রতিবেদনে যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন