বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিপিইউএসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতেও প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষদের অন্তর্ভুক্তি নেই। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু এখানেও প্রতিবন্ধী নারীদের উপস্থিতি নেই।
সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে কোনো প্রতিবন্ধী নারীকে সংসদ সদস্য পদে মনোনীত করা হয়নি বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ও এর কর্মপরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য ২ শতাংশ সংরক্ষিত আসন থাকার বিধান থাকলেও তা পূরণের উদ্যোগ নেই।

ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাক্‌ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীসহ চরম প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভোটার তালিকায় থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সেরিব্রাল পালসি, নিউরো ডেভলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার অথবা শারীরিক ক্ষতিগ্রস্ততার কারণে যাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে সমস্যা হয়, তারা এনআইডি করতে গেলে বিভিন্ন বৈষম্য ও বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

বদিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ মানুষ প্রতিবন্ধিতার শিকার। এ জনগোষ্ঠীর সব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের কাছে ৪ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন—প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আলোকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, রাজনৈতিক দলের জাতীয় পর্যায় স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিকরণ, কমপক্ষে ৩ শতাংশ পদ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষের জন্য সংরক্ষিত করা, ভোটার তালিকায় বৈষম্যহীনভাবে প্রাপ্ত বয়স্ক সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিসহ ভোট প্রদানে প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন