বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


নভোএয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারা দিনে ঢাকা থেকে দেশের ছয়টি আকাশপথে তাদের ১১টি ফ্লাইট গেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে তিনটি, যশোর, সিলেট ও সৈয়দপুরে দুটি এবং বরিশাল ও রাজশাহীতে নভোএয়ারের একটি করে ফ্লাইট চলেছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট পথে যাত্রীর সংখ্যা একেবারেই কম ছিল সকালে। কোনো কোনো ফ্লাইটে কেবল পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী গেছে।


নভোএয়ারের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের প্রধান মেজবাহ-উল-ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সারা দিনে ফ্লাইটগুলোতে গড়ে ৩০ শতাংশ যাত্রী পাওয়া গেছে। অনেকেই ফ্লাইট চালুর বিষয়টি জানতেন না। এ কারণেই কম যাত্রী ছিল। দ্বিতীয় দিনে যাত্রী বাড়বে বলে তাঁর আশা।


ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের পাঁচটি আকাশপথে তাদের আজ দশটি ফ্লাইট চলেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে তিনটি, সিলেট, যশোর ও সৈয়দপুরে দুটি এবং বরিশালে একটি ফ্লাইট ছিল। আজ ঢাকা থেকে রাজশাহী পথে তাদের কোনো ফ্লাইট ছিল না। কাল থেকে সেটিও চালু হবে।


ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আজ সারা দিনেই ফ্লাইটগুলোতে যাত্রীস্বল্পতা ছিল। গতকাল রাতে হঠাৎ সিদ্ধান্ত হওয়ায় অনেকেই জানতেন না। বিকেলে অবশ্য যাত্রী বেড়েছে। গড়ে সারা দিনে যাত্রী ছিল ৫০ শতাংশের নিচে।


বেবিচক জানিয়েছে, বিশেষ ফ্লাইট ছাড়া ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে কোনো ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে না। তবে প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থলে ফেরাতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরে বিশেষ ফ্লাইট চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে গতকাল থেকে চীনেও ফ্লাইট চালুর বিষয়টি জানিয়েছে বেবিচক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন