বর্তমানে শ্রেণীকক্ষে যেভাবে পাঠদান করা হয়, তা শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক নয়। ফলে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে শিখতে পারে না। এ জন্য শ্রেণীকক্ষের শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করতে হবে। আর প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেটা সম্ভব।
সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজারে গতকাল সোমবার তিন দিনব্যাপী এক শিক্ষক সম্মেলনে এসব সমস্যা ও সমাধানের কথা তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও প্রশিক্ষকেরা। ‘একুশ শতকের শিক্ষায় আলোকিত শিক্ষক’ স্লোগানকে সামনে রেখে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন (এ টু আই) কর্মসূচি ও ব্রিটিশ কাউন্সিল। এতে সহযোগিতা করছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সকালে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তির জ্ঞান নিয়ে আমাদের সবাইকে দৌড়াতে হবে। প্রযুক্তি ছাড়া এখন আর কোনো কিছু সম্ভব না। প্রযুক্তি এখন ব্যবসার বড় জায়গা।’
বিকেলে অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। অনুষ্ঠান চলাকালে বিকেলে স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের গুণগত পরিবর্তন চাইলে অবশ্যই শিক্ষকদেরও গুণগত মান বাড়াতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষককেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
গতকাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছাড়াও দুটি সেমিনার হয়েছে। ‘আধুনিক শ্রেণী কার্যক্রম পদ্ধতি: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে ময়মনসিংহ সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেণীকক্ষের পাঠদান আরও আনন্দদায়ক করা সম্ভব। সেমিনার সঞ্চালনা করেন একসেস টু ইনফরমেশন কর্মসূচির পরিচালক ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিসচিব নজরুল ইসলাম খান।