বিজ্ঞাপন

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৪১ জন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে এ বছরের এপ্রিলে জেলায় সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৪৫০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, সাবেক সাংসদ কামরুন্নাহার করোনার উপসর্গ নিয়ে গত বছরের ২২ মে রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। পরে নমুনা পরীক্ষায় তিনি কোভিড-১৯ ‘পজিটিভ’ শনাক্ত হন। এরপর থেকে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা। এক মাস পর গত বছরের ২৩ জুন জেলায় করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ২ হাজার ৩৩০। ওই দিন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে কোভিড সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩৬।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব বলছে, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৫৯০। করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২২৪।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হন আরও ২৮৬ জন। এক মাসে করোনায় মারা যান ২১ জন। ফেব্রুয়ারিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩০। এ মাসে করোনায় মৃত্যু হয় ৫ জনের। এ বছরের মার্চে নতুন করে জেলায় করোনায় মারা যান ১৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হন ৪১১ জন। এপ্রিলে করোনায় মৃত্যু হয় ৩২ জনের। এ মাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ৪৫০ জন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে এ বছরের ১ মে পর্যন্ত জেলায় ১১ হাজার ৮৬৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৯৫ জনের।
১ মে পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগে মারা যাওয়া ৪৮২ জনের মধ্যে ২৯৪ জনই বগুড়ার, অর্থাৎ বিভাগে মোট মৃত্যুর ৬১ শতাংশ মানুষই বগুড়ার।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন