র‍্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, কয়েক মাস আগে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় গোপন করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন শামীম প্রামাণিক।

এরপর কৌশলে ইমোতে ওই ছাত্রীর কাছ থেকে কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও হাতিয়ে নেন শামীম। এরপর শামীম ও তাঁর সহযোগী সিরাজুল এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা পেলে ছবি ও ভিডিও ফেরত দেবেন বলেও শর্ত দেন তাঁরা।

র‍্যাব জানায়, সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে মেয়েটি বেশ কিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩৭ হাজার টাকাও দেন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের। কিন্তু পুরো টাকা না পেয়ে শামীম ও সিরাজুল ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ওই ছাত্রীকে গোপন স্থানে দেখা করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন বুঝতে পেরে মেয়েটি তাঁর অভিভাবকদের কাছে বিষয়টি খুলে বলেন। এরপর অভিভাবকেরা বিষয়টি র‍্যাবকে জানালে র‍্যাবের পরামর্শে বুধবার দুই যুবকের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলার পর বুধবার রাত থেকেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য র‍্যাব অভিযান শুরু করে। এরপর আজ সকালে শহরের রেলগেট এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন