বিজ্ঞাপন

এ সময় তাঁরা আরও বলেন, সাংবাদিকদের পথরোধ করার সংকেত অনেক আগেই দিয়েছে সরকার। সেই সংকেত আমলে নেয়নি সাংবাদিকদের একটি অংশ। সাগর–রুনি হত্যার প্রতিবেদন প্রায় ৮০ বার পেছানো হয়েছে। সেই প্রতিবেদন আজও দাখিল হয়নি। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আদালত চত্বরে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিল। সংগ্রাম–এর আবুল আসাদকে পত্রিকা অফিসে গিয়ে গুন্ডাবাহিনী শারীরিক নির্যাতন করল। তাঁকে দীর্ঘদিন জেলে আটকে রাখা হলো। তখনো সরকারের মদদপুষ্ট সাংবাদিকেরা কথা বলেননি।

বক্তারা বলেন, এই নীরবতার ফলে স্বার্থে আঘাত লাগলেই এখন সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে সরকার। রোজিনা ইসলাম সরকারের স্বাস্থ্য খাতের সীমাহীন দুর্নীতির ধারাবাহিক প্রতিবেদন করায় তাঁর ওপর ন্যক্কারজনক হামলা করেছেন ওই দপ্তরের আমলারা। রোজিনা ইসলামসহ সব সাংবাদিকের মামলা প্রত্যাহার করে কারাবন্দীদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি মীর্জা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সেক্রেটারি গণেশ দাস, সহসভাপতি আব্দুর রহিম, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ, সাবেক সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, দুরন্ত সংবাদ–এর সম্পাদক সবুর শাহ লোটাস, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বগুড়া জেলা সভাপতি আবু মুসা, দৈনিক মহাস্থান–এর প্রকাশক তানভীর আলম, দৈনিক মহাস্থান–এর সহকারী সম্পাদক মৌসুমী আক্তার, দৈনিক মানবজমিন–এর বগুড়া জেলা প্রতিনিধি প্রতীক ওমর প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন