দেশের তৃতীয় বৃহত্তম হচ্ছে লালন শাহ সেতু, যা পাবনা ও কুষ্টিয়ার মধ্যে পদ্মা নদীতে নির্মিত হয়েছে। তবে এ সেতু সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের।

সেতু বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে সেতু বিভাগের সব স্থাপনা সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত শুক্রবার থেকেই রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনের পুরোটিতেই আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতু সাজানো হবে। তবে দুটি সেতুর পুরোটা আলোকিত করা হবে না। দুই প্রান্তের টোল প্লাজা নানা রঙের বাতিতে আলোকিত করার কাজ শেষ পর্যায়ে। সেতু দুটির প্রবেশমুখে লাগানো হবে ফেস্টুন। একটি বড় ব্যানারে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে স্বাগত জানানো হবে।

সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তারপুর সেতু দুটির পুরোটা সাজানো যায় কি না, এ বিষয়ে শুরুতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল খরচের কথা বিবেচনা করে শুধু টোল প্লাজা ও প্রবেশমুখ সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনের আলোকসজ্জা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পরও থাকবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস প্রথম আলোকে বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন সারা দেশই উৎসব করবে। এ লক্ষ্যেই তাঁরা তাঁদের দুটি সেতু এবং প্রধান কার্যালয় আলোকসজ্জিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে হাতিরঝিলসহ বিভিন্ন সড়ক ও স্থাপনাও সাজানো হচ্ছে। হাতিরঝিলে লেজার রাইট শো ও আতশবাজি ফোটানোর কর্মসূচিও আছে। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকবে।

এদিকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছাই রঙের স্যুট, আকাশি–নীল শার্ট ও লাল টাই সরবরাহ করা হয়েছে। তাঁরা এই পোশাক পরেই উদ্বোধনের দিন ছবি তুলবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রী, কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে সেতুর ওপরে ছবি তুলবেন বলে জানিয়েছেন। এ ছবি পদ্মা সেতু জাদুঘরে স্থান পাবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন