default-image

‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ পদক চালু করেছে সরকার। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া, সমাজসেবা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, গবেষণা, কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার জন্য চলতি বছর থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি নারীকে এই পদক দেওয়া হবে।


আজ সোমবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এ বিষয়ে আজ এক ভার্চ্যুয়াল সভায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের রয়েছে অপরিসীম অবদান। বঙ্গমাতা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য সহধর্মিণী ও বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে নেপথ্যের কারিগর। বঙ্গমাতার অবদান চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে সরকার এই পদক প্রবর্তন করেছে।

প্রতিবছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মনোনীত নারীদের এই পদক দেওয়া হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস প্রমুখ।


সভায় জানানো হয়, এই পদক ‘ক' শ্রেণিভুক্ত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক হিসেবে গণ্য হবে। পদকপ্রাপ্ত একেকজন নারী পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের ৪০ গ্রাম সোনা দিয়ে তৈরি একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, ৪ লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা সনদ। এ জন্য একটি পদক নীতিমালা করা হয়েছে। প্রতিবছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মনোনীত নারীদের এই পদক দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে পদকপ্রাপ্তদের মনোনয়নে ৯ সদস্যবিশিষ্ট প্রার্থী বাছাই কমিটি থাকবে। এই কমিটি প্রাপ্ত আবেদন মূল্যায়ন করে সর্বোচ্চ ১০ জনের নাম জাতীয় পুরস্কারসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে বিবেচনার জন্য সুপারিশ করবে। সেখান থেকে জাতীয় পুরস্কারসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশ ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে পদক প্রদানের বিষয় চূড়ান্ত হবে।

এ বছর পদক পাওয়ার জন্য আগামী ৩১ মের মধ্যে নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ছকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের নির্ধারিত ছক www.mowca.gov.bd ও www. jms. gov. bd-এ পাওয়া যাবে, যা পূরণ করে ই-মেইলে (sasmobio-1 @mowca. gov. bd) এবং ডাকযোগে হার্ড কপি সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠাতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন