এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় ৬২৯টি সাইটের মধ্যে কিছু সাইট সচল ছিল। ২২৮টি সাইট পুনরায় সচল হয়েছে। এখনো অসচল রয়েছে ৩১২টি সাইট। সবচেয়ে বেশি সাইট সিলেট জেলায়। সেখানে ১ হাজার ৩৩৯টি সাইটের মধ্যে ৬৮১টি সাইট পুনরায় সচল হয়েছে। অসচল সাইট আছে ১৯৪টি। অপরদিকে নেত্রকোনায় ৫৬০টির মধ্যে ২৫৭টি সাইট পুনরায় সচল হয়েছে। এখনো জেলাটিতে অসচল রয়েছে ৬টি সাইট।

অবশিষ্ট অচল সাইটগুলো অতি দ্রুত সচল করার আশাবাদ জানিয়ে বিটিআরসি বলেছে, অপারেটরদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও বন্যাদুর্গত এলাকায় পানির পরিমাণ কিছুটা কমতে শুরু করায় অপারেটরদের অচল সাইটগুলো ক্রমান্বয়ে সচল হচ্ছে।

এর আগে গত শনিবার বিটিআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বন্যাদুর্গত এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে বিটিআরসি একটি শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর সিকদারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তারা কাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন অপারেটর, আইএসপি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সচল ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা দিতে প্রয়োজনীয় জেনারেটর, অপটিক্যাল ফাইবার ও পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের জোগান দেওয়ার ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানায় বিটিআরসি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন