বিজ্ঞাপন

ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’–এর একজন সাংবাদিক গতকাল বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্রের কাছে এ বিষয়ে চীনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হুয়া ছুনিয়িং বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই, বাংলাদেশ ও চীন অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি মূল নীতির ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক বিকশিত হয়েছে। আমরা সব সময় পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীলতায় বিশ্বাস করি। দুই দেশ সব সময় একে অন্যের মূল স্বার্থ সুরক্ষা ও প্রধান উদ্বেগ দূর করার ক্ষেত্রে একে অন্যকে জোরালোভাবে সমর্থন করি।’

কোয়াডের প্রতি চীনের অসন্তোষ প্রকাশ করে হুয়া ছুনিয়িং বলেন, ‘আমরা সবাই জানি কোয়াড কী ধরনের কাঠামো। কয়েকটি দেশ বিশেষ একটি জোট করে চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক দেশগুলোর যে সংঘাত উসকে দিতে চায়, চীন সেটার বিরোধিতা করে।’

সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, একটি বিষয় পরিষ্কার—চীন সব দেশকে সমভাবে মূল্যায়ন করে। যেটা আমি বলেছি, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি মূল নীতির ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক বিকশিত হয়েছে। আমরা সব সময় পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীলতায় বিশ্বাস করি। দুই দেশ সব সময় একে অন্যের মূল স্বার্থ সুরক্ষা ও প্রধান উদ্বেগ দূর করার ক্ষেত্রে একে অন্যকে জোরালোভাবে সমর্থন করি।

দক্ষিণ এশিয়াতে অবশ্যই চীন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না। অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মূলনীতির প্রতি অতীতের মতো বর্তমানে এবং ভবিষ্যতেও অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।

কোয়াডে ভারতের যুক্ততার প্রসঙ্গ টেনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া ছুনিয়িং বলেন, ‘আমি তো মনে করি, কোয়াডের অভিপ্রায় কী, সেটা আমাদের চেয়ে ভারত ভালো করেই জানে। এটা কি চীনবিরোধী একটি ছোট জোট নয়? এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতার মানে কিন্তু হস্তক্ষেপ নয়। বরং তা ছোট জোট আর গোষ্ঠীবদ্ধ রাজনীতির বিরোধিতা। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি আর স্থিতিশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন