করোনাভাইরাস

করোনাভাইরাস

‘বাংলাদেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হওয়ার তথ্য–প্রমাণ মেলেনি’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং। এ অঞ্চলের করোনাভাইরাস (কোভিড–১৯) পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। এ অঞ্চলে করোনাভাইরাস মহামারির শুরু, গতিপ্রকৃতি, সংক্রমণের ধারা, দেশগুলোর স্বাস্থ্যব্যবস্থা, করণীয় ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর নয়াদিল্লি প্রতিনিধি সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম আলো: চীনে গত বছর করোনাভাইরাসের মহামারির সূত্রপাত হয়। এরপর এ ভাইরাসের সংক্রমণ দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার আগে এ অঞ্চলের দেশগুলো চলতি বছরের শুরুর দিকে মহামারি মোকাবিলায় কয়েক মাস সময় পেয়েছিল। আপনার কি মনে হয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সফলভাবে এ সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পেরেছে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: চীনের বাইরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে গত ১৩ জানুয়ারি। চীন এ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর এ অঞ্চলের দেশগুলো নিজেদের বন্দরগুলোতে নজরদারি শুরু করে। করোনাভাইরাসের উপসর্গ রয়েছে এমন ভ্রমণকারীদের শনাক্ত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। স্থাপন করা হয় আইসোলেশন সেন্টার। করোনার প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার আগেই দেশগুলো হাসপাতাল ও পরীক্ষাগার প্রস্তুত এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে। ভাইরাসটি সম্পর্কে যা-ই জানা যাচ্ছিল, এ দেশগুলো জনসাধারণকে তা জানাচ্ছিল। এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে লকডাউনও করা হয়, যা ছিল সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি সুযোগ। এ প্রক্রিয়া এখনো চলমান। এখানে আমরা যে গতি ও পরিসরে পদক্ষেপ নিতে দেখেছি ও দেখছি, তাতে এ দেশগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব করোনা মোকাবিলায় সব ক্ষেত্রের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে চেয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান পাশাপাশি দেশ। দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানে মহামারি বেশ ভালোভাবেই সামাল দেওয়া গেছে। বাংলাদেশেও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। কিন্তু ভারতে ভয়াবহভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির কারণ কী হতে পারে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: ভারত ও বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অংশ। তবে কোনো দেশের সঙ্গে কোনো দেশেরই তুলনা করা সম্ভব নয়। এমনকি একটি দেশের মধ্যেও স্থানভেদে চ্যালেঞ্জ, সক্ষমতা, এমনকি ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ভিন্নতা থাকে।

বিশ্বজুড়েই মহামারির বিস্তার ঘটছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা দেখেছি, সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা কমার পর আবার তা বাড়তে শুরু করেছে। কাজেই আমরা ধরে নিতে পারি না যে করোনা পরিস্থিতি কোনো জায়গায়ই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

default-image

ভারতে কয়েকটি কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়ে থাকতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ব্যাপক হারে পরীক্ষা কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ। ভারত পরীক্ষা কর্মসূচি এতটাই জোরদার করেছে যে তারা দিনে ১০ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করছে, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা, রোগী শনাক্ত, রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও চিকিৎসার মতো মূল পদক্ষেপগুলো জোরদার করার কাজ করে যাচ্ছে। এর সঙ্গে প্রয়োজন করোনা মোকাবিলায় যথাযথ আচরণগত বিষয়গুলোর কঠোর বাস্তবায়ন। এগুলো হলো সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরা, সাবান-পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়া ইত্যাদি। এ দুটি বিষয় যদি একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায় এবং প্রতিটি ব্যক্তি যদি সচেষ্ট হয়, তাহলেই কেবল করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শৃঙ্খল ভাঙা সম্ভব।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: আপনার মতে, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ মহামারি মোকাবিলায় সবচেয়ে ভালো করেছে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: সব দেশই সমন্বিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আগে যেমনটা বলেছি আমি, আমরা এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশকে মেলাতে পারব না। থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কার মতো যে দেশগুলো স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করেছে, তারা অন্যদের তুলনায় আগে মহামারি মোকাবিলা করতে পেরেছে। আবার বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়ার মতো এ অঞ্চলের কিছু দেশের ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ চ্যালেঞ্জগুলোও আমাদের ভাবতে হবে। করোনাসহ যেকোনো সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় যে চ্যালেঞ্জ, তার সঙ্গে যোগ হয়েছে এ দেশগুলোর আয়তন, জনসংখ্যা, জনঘনত্ব, ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও আর্থসামাজিক পরিস্থিতি। তা সত্ত্বেও তারা নজিরবিহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

default-image

প্রথম আলো: বাংলাদেশে করোনা মহামারির প্রকৃতি কেমন? এ দেশে মহামারি কোন পর্যায়ে রয়েছে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: বাংলাদেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ পর্যায়ে রয়েছে। যার অর্থ হলো ভাইরাসটি এমনভাবে ছড়াচ্ছে যে সব ক্ষেত্রে সংক্রমণের উৎস জানা সম্ভব হচ্ছে না। এরপরও বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়, আগেভাগে রোগ শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ সুফল দিয়েছে। এসব পদক্ষেপ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার এবং চিকিৎসাসহায়তা প্রয়োজন এমন নতুন সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা এমনভাবে সীমিত রাখতে সহায়ক হয়েছে যে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ অনেক বেশি বেড়ে যায়নি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বাংলাদেশে সংক্রমণের তুলনায় মৃতের সংখ্যা কম। এর সম্ভাব্য কারণ কী হতে পারে? এটা কি হার্ড ইমিউনিটি হতে পারে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এর মধ্যে ভাইরাসে মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নথিবদ্ধ করার কাজও অন্তর্ভুক্ত আছে। এখানে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়েছে—এটি বলার মতো প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরিষেবার সক্ষমতা বাড়াতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য মানবসম্পদ ও নানা উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি এখনো ঊর্ধ্বমুখী। এটা কবে নিয়ন্ত্রণে আসবে তা অনুমান করা কঠিন।
বাংলাদেশে কমিউনিটি সংক্রমণ পর্যায়ে রয়েছে। এরপরও বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়, আগেভাগে রোগ শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ সুফল দিয়েছে।

প্রথম আলো: বাংলাদেশ কি ভাইরাস শনাক্ত করার ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম পরীক্ষা করছে? সরকারকে ডব্লিউএইচও কী কী পরামর্শ দিয়েছে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: দেশে কোভিড-১৯ পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডব্লিউএইচও কাজ করছে। মহামারি শুরুর সময় সেখানে মাত্র একটি পরীক্ষাগার ছিল। এখন দেশজুড়ে ৯২টি পরীক্ষাগার আছে, যেগুলো কোভিড-১৯ শনাক্তে কাজ করছে। ডব্লিউএইচওর নজরদারিসংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করছে বাংলাদেশ। যেসব জেলা ও এলাকা থেকে কম শনাক্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেসব জায়গায় পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। যাতে করে প্রতিটি সন্দেহভাজন কেস পরীক্ষা করা যায়, সঙ্গনিরোধ করা যায় এবং রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও পরীক্ষা চালানো যায়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সবই কি আপনি সঠিক বলে মনে করেন? কোনো ঘাটতি আছে কি?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, সরকারি কর্মচারী, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ সমন্বিত চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের কাজের ক্ষেত্রেও বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট উপকরণের সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়টি। এর ওপর আবার বাংলাদেশের জনঘনত্ব বেশি হওয়ায় তা কোভিড-১৯-এর মতো সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়েছে, এটি বলার মতো প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ, মাতৃত্বকালীন ও নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পুরোদমে চালুর উৎসাহ দিচ্ছে ডব্লিউএইচও।

আবার যখন কোনো দেশ কোভিড-১৯-এর মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তখন জরুরি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ কোভিড-১৯-এর কারণে এটি বিঘ্নিত হয়েছে। আমরা এরই মধ্যে টিকাদান কর্মসূচিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনছি এবং অসংক্রামক রোগ, মাতৃত্বকালীন ও নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি আগের মতো পুরোদমে চালু করায় উৎসাহ দিচ্ছি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: বর্তমানে বাংলাদেশের উচিত হবে রোগ প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে যে মিশ্র পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা চালু রাখা। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ রোগে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা সরবরাহের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।

default-image

যেহেতু কড়াকড়ি তুলে দেওয়া হচ্ছে, সেহেতু মানুষের এটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে ভাইরাস এখনো স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর আছে। এ কারণে পর্যাপ্ত প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং এর নিয়মিত পর্যালোচনা জারি রাখা প্রয়োজন। যেমন মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও নিয়মিত হাত ধোয়ার বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।

ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের রক্ষা করার কাজটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা উচিত। শিক্ষিত ও সক্ষম মানুষের উচিত নিজেদের রক্ষার পাশাপাশি অন্যদেরও সহায়তা করা। দেশগুলোকে জনস্বাস্থ্যের মৌলিক বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিতে হবে। এগুলো হলো আক্রান্ত ব্যক্তিদের খোঁজা, তাদের আলাদা করা, পরীক্ষা করা, রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও সঙ্গনিরোধ করা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: সম্ভাব্য কোন সময়সীমার মধ্যে উপমহাদেশে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: এটি অনুমান করা কঠিন। বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি এখনো ঊর্ধ্বমুখী।

প্রশ্ন: ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কী করা উচিত আর কী করবে না?

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং: কোনো দেশই করোনাভাইরাস ঠেকানোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থায় শিথিলতা দেখাতে পারবে না। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে সমন্বিত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন