বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপু মনি বলেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল অনেক দিন ধরে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। বন্ধুত্বের এই দীর্ঘ যাত্রায় ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের সঙ্গে ছিল। শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ব্রিটিশ কাউন্সিলকে অংশীদার হিসেবে পাশে পেয়ে বাংলাদেশ গর্বিত। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত অনেকগুলো জায়গা আছে, যেখানে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি শিক্ষার মান বাড়াতে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বাংলাদেশ একযোগে কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে এ ধরনের কর্মসূচি নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্লোবাল চেয়ারম্যান স্টিভি স্প্রিং সিবিই বলেন, দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক তৈরি হয় অংশীদারত্বের মাধ্যমে। কারণ, এগুলো শুধু করে যাওয়া নয়, একসঙ্গে করতে হয়। এর মূলে আছে দুই দেশের মানুষ সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ, যা গত ৭০ বছরে গড়ে উঠেছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন বলেন, ‘ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি পারিবারিক বন্ধন তৈরি হয়েছে। এ দেশের তরুণদের আত্ম–উন্নয়নে ব্রিটিশ কাউন্সিল যা করছে, তাতে আমি মুগ্ধ। বাংলাদেশ তার ৫০ বছর বয়সে পৌঁছেছে এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল ৭০ বছরে—এই দুই উদ্‌যাপন এক হয়ে আগামীতে আরও ভালো কিছু হবে।’

default-image

রবার্ট ডিকসন বলেন, যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনার বিষয়ে দুই দেশেরই আগ্রহ রয়েছে। এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। এদেশে খুব শিগগির এ ধরনের কার্যক্রম শুরু হবে। ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর টম মিশসা। তিনি বলেন, করোনা মহামারির পর এই প্রথম এ প্রাঙ্গণে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সত্তর বছর পূর্তি— দুটির জন্যই এ বছরটা একটি বিশেষ বছর।

গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শুরুতে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের একটা ফ্লোরে দুজন লন্ডনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের যাত্রা শুরু হয়। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে টম মিশসা বলেন, ‘এখন আমরা শিক্ষা নিয়ে কাজ করি, প্রদর্শনী করি। সারা দেশে এখন তিনটি কার্যালয় রয়েছে। ২ শতাধিক কর্মকর্তা কাজ করছেন, যাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই বাঙালি।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য হেলেন গ্র্যান্ট, ঢাকা থিয়েটারের পরিচালক নাসির উদ্দীন ইউসুফ। অনুষ্ঠান শেষ হয় ঢাকা থিয়েটারের একটি মঞ্চনাটক পরিবেশনের মাধ্যমে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন