আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে গণহত্যা, নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশের ৫০ বছরের পথচলা: গণহত্যা, জাতিরাষ্ট্র এবং বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। পাকিস্তানের শাসনকালের মতো ধর্মকে মানুষের অধিকারের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।
মন্ত্রী বলেন, ‘একতরফা ওয়াজ আছে। কিন্তু গানবাজনা, নাটক, যাত্রা এগুলো কি আছে সমাজে? বাঙালির যে কৃষ্টি, ঐতিহ্য, লোকজ সাহিত্য, সংস্কৃতি, পুঁথি পড়া—এগুলো কোনো কিছুই নেই। এতে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর জন্য পোয়াবারো হয়েছে। তাদের কাজ চলছে। কিন্তু বাঙালির সংস্কৃতির প্রসার তো ঘটেইনি, বরঞ্চ মৃত্যু হয়েছে।’

মুখে মুখে বলে ও সেমিনার করে লাভ হবে না বলে জানিয়ে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে পুনরায় কাজ করতে হবে, পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। নয়তো এই মিথ্যাচার ফিরে আসবে। গবেষকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শুধু বইপুস্তকে হবে না। সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে বলেন, কিছু উন্নয়নের মধ্য দিয়েই কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে না। উন্নয়নের প্রত্যাশা যেমন আছে, তেমনি তাঁর আদর্শও ধারণ করতে হবে। এ দুটির সমন্বয় হলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন