বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক মো. শফিকুল ইসলাম খান আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের আদেশটি পাওয়ার পর কারা হাসপাতালের চিকিৎসককে জানানো হবে। অসুস্থ হলে বাবুলকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে। সেখানে না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে বাবুল আক্তার সুস্থ আছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন মাহমুদা খানম। মাহমুদা হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। বাবুল তখন চট্টগ্রাম থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশ সুপার (এসপি) পদে সংযুক্ত ছিলেন। দুই সপ্তাহ পর ওই বছর ২৪ জুন ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে বাবুল আক্তারকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হলো।

এরপর কয়েক বছর মামলার তদন্তে অগ্রগতি দেখা যায়নি। গত বছরের মে মাসে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগশন (পিবিআই)। এরপর ১১ মে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নেওয়া হয়। পরদিন তাঁর করা মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। সেখানে বলা হয়, তিন লাখ টাকা দিয়ে স্ত্রীকে খুন করান বাবুল আক্তার।

ওই দিনই মাহমুদা খানম মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখায় পিবিআই। পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাবুলকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন