বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার ৩ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) এবং ১৬ লাখ ১৯ হাজার মেশিন রিডেবল ভিসা (এমআরভি) ইস্যু করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুজিব বর্ষে ই-পাসপোর্ট জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ এমআরপি এবং বাংলাদেশ ভ্রমণে ইচ্ছুক বিদেশি নাগরিককে এমআরভি দেওয়া শুরু করেছে।

মন্ত্রী জানান, এমআরপি ও এমআরভির প্রবর্তন করে সরকার এই সেবার আধুনিকায়ন বন্ধ করেনি। বাংলাদেশের সব পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দরে ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। তিনি বলেন, গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেছেন, ‘ই-পাসপোর্ট বাংলাদেশের জনগণের জন্য মুজিব বর্ষের উপহার।’ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মধ্যে জার্মানির বার্লিনে প্রথম ই-পাসপোর্টের রোল আউট আজ থেকে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ লাখ আবেদন জমা হয়েছে ই-পাসপোর্টের জন্য। প্রায় ১০ লাখ ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব দূতাবাসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আইয়ূব চৌধুরী বলেন, দেশের ৬৪টি জেলার ৬৯টি অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই দেশের ৮০টি মিশনে এর কার্যকারিতা শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি বলিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন