সিইসি বলেন, ‘আগে একজন মন্ত্রীকে এক ঘণ্টার নোটিশে বের করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বাইরে থেকে এসে প্রচার চালিয়েছিলেন। বাহাউদ্দিন দিনাজপুরের লোক নন, তিনি কুমিল্লার লোক। তাঁকে আমরা স্থান ত্যাগ করতে বলতে পারি না এবং বলি নাই। কাজেই তিনি কোনো কিছু ভঙ্গ করেননি। আমরাও কোনো ব্যর্থ হই নাই। আমরা তাঁকে অনুরোধ করেছি, তিনি তা রক্ষা করতেও পারেন, না–ও করতে পারেন। অনুরোধ আর আদেশকে একাকার করে ফেললে হবে না।’

দুজন নির্বাচন কমিশনার যখন কুমিল্লা সিটিতে গেলেন, তখন তাঁরাও বলেছেন, বাহাউদ্দিন আইন ভঙ্গ করেছেন। সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘যখন আপনারা প্রশ্ন করতে থাকেন, উনি কেন আমরাও ঘাবড়িয়ে যাই। আইনকে গাইন বলি। গাইনকে আইন বলে ফেলি। এটা হয়তো আপনারা বলেছেন, আদেশ করেছেন, আদেশ মানছে না কেন? তিনি হয়তো বলেছেন, তিনি না মানলে আমরা কী করব!’

ইসির চিঠির শেষে অনুরোধের কথা বলা থাকলেও এলাকা ত্যাগ করার কথাও উল্লেখ ছিল, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা অনেক শব্দ ভুল বলতে পারি। কিন্তু শেষ বাক্য, যেখানে বলা হয়েছে, আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হলো। অনুরোধ ও আদেশের মধ্যে যে পার্থক্য আছে, সেটা আপনারা বোঝার চেষ্টা করবেন।’

বাহাউদ্দিন কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সিটি করপোরেশন, সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য। তিনি কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা নগরের মুন্সেফ বাড়িতে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বাহাউদ্দিনকে নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ করতে ৮ জুন নির্দেশ দেয় ইসি। তাঁকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তিনি এলাকা ছাড়েননি।

১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক জয়ী হন। তিনি মাত্র ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মনিরুল হককে পরাজিত করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন