default-image

বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের পেশাজীবী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণির বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার আগ্রহ বাড়ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা নিতে আগ্রহ দেখিয়ে প্রতিদিন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করছেন বিদেশিরা।

তবে ঠিক কী পরিমাণ বিদেশি নাগরিক এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আছেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। এ নিয়ে বিপত্তি দেখা দিয়েছে। বিদেশিদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি সুরাহার জন্য সরকার একটি আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, গত সপ্তাহে ঢাকায় কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের টিকা দেওয়া শুরুর পর থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিদেশিদের মধ্যে টিকা দেওয়া নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন তাঁরা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করছেন।

এ নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ টিকা নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ জানাচ্ছেন। বিদেশিদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে নীতিমালা কী হবে, তা চূড়ান্ত করতে একটি আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক হবে।’

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিদের মধ্যে শিক্ষার্থীরাও টিকা নিতে চাইছেন। অথচ এখন পর্যন্ত ৪০ বছরের বেশি বয়স্ক লোকজনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। আবার এই টিকা বিনা মূল্যে দেওয়া হবে, নাকি টাকা নেওয়া হবে, সেটিও ঠিক করার বিষয় রয়েছে। সব মিলিয়ে বিদেশি নাগরিকদের টিকা দেওয়া শুরুর আগে এ বিষয়গুলো ঠিক করতে হবে।

বাংলাদেশে এখন কতজন বিদেশি আছেন, তা জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। সে ক্ষেত্রে বিদেশি নাগরিকদের যাঁরা টিকা নিতে আগ্রহী, তাঁদের নিজের দেশের দূতাবাসে নাম নিবন্ধনের জন্য বলা যেতে পারে। তাহলে সংখ্যার বিষয়ে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।’

এদিকে, মালদ্বীপ করোনার টিকা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে নার্সসহ চিকিৎসাকর্মী পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে। দ্বীপ রাষ্ট্রটির অনুরোধে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সেখানে বেশ কিছু নার্স ও চিকিৎসাকর্মী পাঠাচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন