বিজ্ঞাপন

এ সময় সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, রোজিনা ন্যায়বিচার পাবেন। আরেকজন বলেছেন, আমি তো আপনাদেরই লোক, সুতরাং ন্যায়বিচার পাবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বিদেশিদের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। আমরা চাপের মধ্যে আছি। রোজিনা ন্যায়বিচার পাবেন।’

সরকারকে উদ্দেশ করে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার আপনাদের কাছে চাই না। দয়া করে এসব বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেবেন না। আপনারা জাতিকে সারা বিশ্বের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।’

রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে ছয় ঘণ্টা আটক রেখে আরেকটি খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘রোজিনার ঘটনা এটাই প্রমাণ করে দেশে কেউ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবে না। চলাফেরা করতে পারবে না। চিন্তার স্বাধীনতা নাই। বিবেকের স্বাধীনতা নাই। ন্যায়বিচার নাই।’

রোজিনা ইসলামকে নিয়ে নাটক করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেসব নাটক করা হচ্ছে, মহানাটক করা হচ্ছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তির নির্দেশে এগুলো করা হচ্ছে।’

সরকারকে উদ্দেশ করে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘হয়রানি নির্যাতন করে কণ্ঠ রোধ করতে পারবেন না। অতীতেও কেউ পারেনি। অত্যাচার যত বাড়বে তত তাড়াতাড়ি বিদায়ঘণ্টা বাজবে। এটাই ইতিহাস।’

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গণফোরাম একাংশের নেতা মহসীন রশিদ, জগলুল হায়দার, আসাদুজ্জামান, খান সিদ্দিকুর রহমান, হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী, রওশন ইয়াজদানি, মোকলেসুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, যুব নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ, ছাত্রনেতা সানজীদ রহমান ও কামাল উদ্দিন।

একই ইস্যুতে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা। তারাও রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন