বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেবিচকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমানকে চিঠি দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। চিঠিতে পরীক্ষামূলকভাবে ৫০ যাত্রীকে বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করে আরব আমিরাতে পাঠানো হবে।
এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বেবিচক গতকাল সকালে একটি সভা করে। সভায় বিমানবন্দরে ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের মোবাইল ল্যাবকে এই কাজ দেওয়া হয়।

১৫ সেপ্টেবর সাত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার বসাতে অনুমোদন দেয় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড ঢাকা, সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল লিমিটেড, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, গুলশান ক্লিনিক লিমিটেড ও ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক—এই সাত প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পরে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পাঠাতে বলা হয়। জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল ছাড়া বাকি ছয়টি প্রতিষ্ঠান তা জমা দেয়। এসব এসওপি যাচাই করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়।

বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোন এয়ারলাইনস এই ৫০ যাত্রী পরিবহন করবে, কাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত সে দেশে যেতে যাত্রার ছয় ঘণ্টা পূর্বে করোনার আরটি–পিসিআর পরীক্ষার শর্ত আরোপ করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে যেতে পারছেন না প্রবাসীরা।

এদিকে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে দ্রুত করোনার র‍্যাপিড আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন প্রবাসীরা। গত মঙ্গলবার এ দাবিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিচে প্রবাসীরা প্রতিবাদ করেন। ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা শনাক্তে পিসিআর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন