বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো নিলামে তোলা হচ্ছে এসব গাড়ি। এর আগে চারটি নিলামে একটি গাড়িও বিক্রি হয়নি। তবে এবার গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি করতে চায় কাস্টমস। সে জন্য নিলামে যেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দরদাতা অংশ নেয় সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

নিলামে তোলা গাড়ির ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ল্যান্ড রোভার, মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ, লেক্সাস, জাগুয়ার, মিতসুবিশি জীপ। গাড়িগুলো কনটেইনারে এবং খোলা অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর ও গাড়ির শেডে পড়ে আছে। নিলামে তোলার আগে এসব গাড়ি দেখতে পাবেন ক্রেতারা। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। আবার অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন ক্রেতারা। আগামী ১৮ অক্টোবর সশরীরের বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

কাস্টমসের উপকমিশনার মো. আল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, যৌক্তিক দর পেলে এবার নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হবে। সারা দেশ থেকে যেন সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্রেতা নিলামে অংশ নেয় সে জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পর্যটক সুবিধায় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এক দশক আগে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পর্যটকেরা। বন্দর দিয়ে আনার পর আটকে যায় সব কটি গাড়ি। কারণ শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধে কড়াকড়ি আরোপ করে কাস্টমস। ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে খালাসের শর্ত আরোপ করার পরই খালাস না নিয়ে সটকে পড়ে পর্যটকেরা।

নিলামে তোলা গাড়ির মধ্যে সবচেয়ে দামি হলো যুক্তরাজ্যের ল্যান্ড রোভার গাড়ি। এ রকম সাতটি গাড়ি আছে। সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি চার হাজারের বেশি। অবশ্য ১১০টি গাড়ির অর্ধেকই মার্সিডিজ বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এসব গাড়ির অনেকগুলোর চাকা ও ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। ইঞ্জিনে মরীচিকা ধরেছে। চাবিও নেই অনেকগুলোর।

নিলামে তোলা গাড়িগুলোর মধ্যে ১৫টি গাড়ি তৈরির পাঁচ বছরের কম সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র লাগবে না। তবে বাকি গাড়িগুলোর জন্য দরকার হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র। কেনার পর যাতে ছাড়পত্র সহজে মিলে সে জন্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন