বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিকে কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার যে কৌশল ও পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে, সেখানে কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দুর্নীতি সেই অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে। রোজিনা ইসলাম সেই সব অপরাধের সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন এবং তাঁর অনুমতিবিহীন ছবি-ভিডিও তুলে সামাজিকভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করেছেন। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাঁকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার মানবিকতাও দেখানো হয়নি। এ ছাড়া তাঁকে মামলা দিয়ে আরেক দফা হয়রানি করা হয়েছে।

রোজিনা ইসলামের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা শুধু সাংবাদিকতার ওপরই তীব্র আঘাত নয়, বরং তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানায় মিডিয়া এডুকেটরস নেটওয়ার্ক। তারা আরও বলে, এই ঘটনা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সুশাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মিডিয়া এডুকেটরস নেটওয়ার্ক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহার ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রহমান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শেখ শফিউল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাধব দীপ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুন আ. কাইউম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল ও শেখ আদনান ফাহাদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজীব নন্দী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সারা মনামি হোসেন, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষক তপন মাহমুদ লিমন প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন