default-image

বৃষ্টি নেমেছিল। তখন সবাই ছিল ঘুমিয়ে। সেই যে রবীন্দ্রনাথের গানে আছে ‘আমি তখন ছিলেম মগন গহন ঘুমের ঘোরে/ যখন বৃষ্টি নামল তিমিরনিবিড় রাতে...।’ তবে সঘন গহন বারিধারা নয়। খুব হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি নেমেছিল আজ রোববার ভোররাতের দিকে যশোর, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু কিছু অঞ্চলে।

লোকে ঘুম থেকে উঠে বৃষ্টির দেখা পাননি, দেখেছেন আকাশে জমে থাকা মেঘমালা, ভিজে গেছে পথে–প্রান্তরের শুকনা ধুলা। আজ রোববারও এমন ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে বলেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস।

বিজ্ঞাপন

কাল ভোর রাতে খুবই সামান্য বৃষ্টি হয়েছে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে, যা গণনায় ধরা চলে না। এর তুলনায় একটু বেশি বৃষ্টিপাত যশোরে ১ মিলিমিটার। আমাদের যশোর প্রতিনিধি জানালেন, শেষ রাতের দিকে কোথাও কোথাও হালকা ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু লোকজন তা টেরই পাননি। সকালে ঘুম থেকে উঠে পথঘাট, গাছগাছালি একটু ভেজা ভেজা দেখে বুঝেছেন রাতে কিছুটা বৃষ্টি হয়েছে। এতে অবশ্য শীতের তীব্রতা বাড়েনি। রোদও উঠেছে। কাজকর্ম, জীবনযাত্রা সবকিছু ঠিকমতোই চলছে।

আবহাওয়ার নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে কুমিল্লা, নোয়াখালী অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্য এলাকায় আকাশ আজ ও আগামীকাল আংশিক মেঘলা থাকবে। শেষ রাত থেকে সারা দেশেই মাঝারি থেকে ভারী কুয়াশাও পড়তে পারে।

দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হলেও শৈত্যপ্রবাহ নেই। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটের শ্রীমঙ্গলে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ সীতাকুণ্ডে ৩০ দশমিক ৫ ডিগ্রি। রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাল রাতে রাজধানীতে কেউ কেউ লেপ-কম্বলের ওমের বদলে পাখা ঘোরানোর প্রয়োজন বোধ করেছেন।

আবহাওয়া বিভাগের আবহাওয়াবিদ আবদুল হামিদ জানালেন, হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে লঘুচাপের বর্ধিত অংশের প্রভাবে আকাশে অনেক মেঘ জমেছে। তাই কিছু কিছু এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। কালও রাজশাহী, রংপুর অঞ্চলে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার নাগাদ আকাশ থেকে মেঘ কেটে যাবে। তাতে ঢাকাসহ সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা মঙ্গলবার থেকে সামান্য কমতে পারে। এ ছাড়া আবহাওয়ায় বিশেষ কোনো পরিবর্তন হওয়ার শঙ্কা নেই। ক্রমেই উষ্ণ হয়ে উঠবে বসন্তের দিন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন