জানা গেছে, হাসপাতালে যাঁরা ১৫ মিনিট দেরিতে উপস্থিত হয়েছেন তাঁদের সাত দিন মিলে এক দিনের বেতন কাটা হয়। গতকাল রোববার বেতনভাতা দেওয়া হয়েছে। বেতন–ভাতা কর্তন করার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা কর্মবিরতি শুরু করেন।

হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, যেসব চিকিৎসক কিংবা কর্মী ৮টার পরিবর্তে সাত দিন দেরিতে উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁদের এক দিনের বেতন কাটা হয়। এতে তাঁরা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। এখন আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। সেবা চলছে। তবে বিষয়টি এভাবে না করে আমাদের জানালেই পারতেন তাঁরা।

জানতে চাইলে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, বেতন কাটা হয়েছিল। এতে চিকিৎসকেরা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে কাজে যোগ দেননি। এ ছাড়া আরও অনেক দাবি ছিল। প্রতি সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করেন চিকিৎসকেরা। এর জন্য কোনো টাকা দেওয়া হয় না। মাতৃত্বকালীন ছুটি দেওয়া হয় চার মাস। সংক্রামক ব্যাধির ছুটি ২৮ দিনের জায়গায় ১৪ দিন দেওয়া হয়। এসব মিলিয়ে আজ সকালে চিকিৎসকেরা কাজ করা থেকে বিরত ছিলেন। পরে কর্তৃপক্ষ বেতন কর্তনের বিষয়টি স্থগিত করলে কাজে যোগ দেন সবাই।

উল্লেখ্য, মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে ৬৫০ শয্যা রয়েছে। হাসপাতাল ও কলেজ মিলে এখানে চিকিৎসক সংখ্যা চার শ–এর কাছাকাছি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন