default-image

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘ভারতের ২০ লাখ ভ্যাকসিন উপহার ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ। ভারতের সব মানুষ এখনো ভ্যাকসিন পায়নি, তার আগেই আমাদের দেশে এটি এসেছে, এ জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও দেশপ্রেম দিবস উদযাপন পরিষদ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘নবজাগরণে নেতাজির আদর্শ’ শীর্ষক সেমিনারে ভারতের সঙ্গে মৈত্রীবন্ধনকে দেশের উন্নয়নে অত্যন্ত সহায়ক বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

নেতাজির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কিছু রাজনৈতিক শক্তি আছে যাদের রাজনৈতিক মূল অ্যাজেন্ডা হচ্ছে ভারতবিরোধিতা। প্রতিবেশী তিন দিকের সীমান্তের দেশের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক রেখে এ দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। ভারতবিরোধিতাকেই যারা মূল প্রতিপাদ্য মনে করে রাজনীতিটা করে, তারা আসলে ভুল পথে হাঁটছে। সৌহার্দ্যের মধ্যেই অগ্রগতি নিহিত।’ ‘আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের অর্জিত উন্নয়ন-অগ্রগতিতে ভারতের সহযোগিতা অত্যন্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করছে’, উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘উভয় দেশ যে মৈত্রীবন্ধনে এগিয়ে যাচ্ছি, এই মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়ে এবং আমাদের আঞ্চলিক ও মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার মধ্য দিয়েই এ অঞ্চলের উন্নতি সম্ভবপর হবে এবং আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।’

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আবেদ খান, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি উত্তম বড়ুয়া, আয়োজক সংগঠনের সদস্যসচিব আশরাফুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উপমহাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অবদান ইতিহাসে সব সময় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। আমাদের জন্য গৌরবের যে নেতাজি বাঙালি ছিলেন এবং “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”তে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, শৈশবেই তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন, তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।’

ভারতের হাইকমিশনার দোরাইস্বামী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে অত্যন্ত অন্তর ছুঁয়ে যাওয়া ঘটনা বলে অভিহিত করেন এবং দুদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

‘অচিরেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করবে এ দেশের চলচ্চিত্র’

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বিশ্ববাজারে এ দেশের চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা করবে।

আজ সন্ধ্যায় রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ১৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। আয়োজকদের পক্ষে মূল আয়োজক রেইনবো ফিল্মসের চেয়ারম্যান আহমেদ মুজতবা জামাল ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম. হামিদও বক্তব্য দেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন