default-image

মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতকে জরুরি সহায়তার অংশ হিসেবে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। বেনাপোল স্থল সীমান্ত দিয়ে কাল বুধবার ট্রাকযোগে ১০ হাজার রেমডেসিভির ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যাবে। এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বাংলাদেশের জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করে ভারত জরুরি ভিত্তিতে রেমডেসিভির পাঠাতে বলেছে। সেই অনুযায়ী তা ভারতে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতের আর কী কী প্রয়োজন, তা নিয়ে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

এদিকে কলকাতা থেকে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হোসেন আজ সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের দেওয়া ওষুধ বৃহস্পতিবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হবে।

সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়তে পারে

ভারতে করোনা পরিস্থিতির কারণে ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এ সময়ের মধ্যে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তাঁরা শুধু বেনাপোল, আগরতলা ও বুড়িমারি দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়বে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে নিয়মিতভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার এক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হতে পারে।

ভারতের ট্রাক আসছে বাংলাদেশে

স্থল সীমান্ত বন্ধ হলেও সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে ১২টি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের পণ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছে। এ জন্য বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় ট্রাকের বাংলাদেশে প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে মাশফি বিনতে শামস বলেন, ভারতের ট্রাক সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চালক ও তাঁর সহকারীকে যথাযথভাবে সেনিটাইজড করা হচ্ছে। প্রতিটি ট্রাকে চালক ও সহযোগী মিলে দুজন আসার অনুমতি পাচ্ছেন। আর ট্রাক থেকে পণ্য নামানোর কাজে যুক্ত হচ্ছেন বাংলাদেশের কর্মীরা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন