করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। দীর্ঘ ১৮ মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও তখন স্বল্প পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চলছিল। এর মধ্যে আবারও নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করে সরকার, যা ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল।

মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ২২ ফেব্রুয়ারি খুলে দেওয়া হলেও এখনো সব শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিন হচ্ছে না। সপ্তাহের নির্ধারিত দিনে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সশরীর ক্লাস হচ্ছে। এর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ২ মার্চ খুলে দেওয়ার পর প্রতিদিনই ক্লাস নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এখন মাধ্যমিকও একই পথে হাঁটছে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এই মাসের মাঝামাঝি মাধ্যমিকে পুরোদমে ক্লাস শুরু করতে পারব। আমরা ধারাবাহিক মূল্যায়নে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট দরকার হলে সেটাও দেব। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের পাঠদান স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে।’

মিশ্র পদ্ধতিতে (ব্লান্ডেড লার্নিং) পাঠদান বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ন্যাশনাল পলিসি করছি। এ মাসের ২৬ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেব। তারপর কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা করা হবে।’

সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিতে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাস করে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা হওয়া উচিত। এ বিষয়ে বিএমডিসির সঙ্গে কথা বলেছেন, আবারও বলবেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন