বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আদালতে উপস্থাপিত নথি থেকে দেখা যায়, ৪১ বছর বয়সী বাংলাদেশের মোহাম্মদ মিলন হোসেন মেক্সিকোর তাপাছুলাতে বসবাস করতেন। তিনি বাংলাদেশ, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা এবং মেক্সিকোতে বসবাসরত মানব পাচারকারীদের সঙ্গে যোগসাজসে বিপুল টাকা নিয়ে লোকজনকে মার্কিন সীমান্তের কাছে নিয়ে আসতেন। পাচারের শিকার হওয়া লোকজনকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর আগে রাখতেন মেক্সিকোর তাপাছুলার একটি হোটেলে। তিনি যেসব লোক যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ ছিলেন, তাঁদের টিকিটসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহায়তা দিয়ে মেক্সিকোর মন্টেরিতে তাঁর সহযোগী মোক্তার হোসেনের কাছে পাঠাতেন। এরপর মোক্তার মন্টেরি থেকে ওই লোকজনকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে সহায়তা করতেন।

মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয়ের অপরাধ বিভাগের সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল কেনেথ এ পোলিট বলেন, মানব পাচাকারীরা বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তৎপরতা চালিয়ে বাংলাদেশের অভিবাসীদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছেন। হোসেনের মতো মানব পাচারকারীদের আটক করে তাঁদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের মূলোৎপাটনের জন্য মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় দেশে এবং বিদেশে তার অংশীজনদের নিয়ে তৎপরতা অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন