বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার আরজিতে বাদী দাবি করেছেন, গত ১৩ নভেম্বর রাজধানীর তোপখানা রোডের বিএমএ মিলনায়তনে আসামি মামুনুল হক রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন। অপর আসামি সৈয়দ ফজলুল করীম গত ১৩ নভেম্বর ধোলাইখালের গেন্ডারিয়াতে এক সভায় রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন। আর হেফাজতের নেতা জুনায়েদ বাবুনগরী গত ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে এক সভায় রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন।

মামলার আরজির বক্তব্য অনুযায়ী, মামুনুল হকসহ অন্য তিনজন ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে না এলে আরেকটি শাপলা চত্বর ঘটানোর হুমকি দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। তাঁরা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেছেন, যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। আসামিদের নির্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে মধুদার ভাস্কর্য, কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নির্মিতব্য ভাস্কর্যসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভাস্কর্য ভাঙা হচ্ছে, উসকানিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন