আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের ছাপার কাজ দেখতে গিয়ে দীপু মনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গতবারের মতো আসন্ন নতুন শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় বিনা মূল্যে বই বিতরণের উৎসব হবে না। শ্রেণি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বই দেওয়া হবে।

অমিক্রনের আশঙ্কার মধ্যে জানুয়ারিতে শিক্ষাক্রম স্বাভাবিক করা যাবে কি না, সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অমিক্রন নিয়ে এখনো শেষ কথা বলার সময় আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে, ইউরোপেও ছড়াচ্ছে। এ জন্য আমাদের আরেকটু বোধ হয় দেখা দরকার। আমরা এখনো সবদিক দিয়ে ভালো অবস্থায় আছি, কিন্তু একই সঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের এখানে মার্চে বাড়ে (করোনার সংক্রমণ)। কাজেই মার্চ মাস পার না হওয়া পর্যন্ত বলতে পারব না, খুব নিরাপদ অবস্থায় আছি। কাজেই সতর্কতা ষোলো আনা রাখতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এখনই বোধ হয় পুরোপুরি স্বাভাবিক জায়গায়...যেখানে শিক্ষার্থী কম সেখানে হয়তো যাওয়া যাবে, কিন্তু যেখানে বেশি, সেখানে তো যাওয়া যাবে না। যদি মার্চ পর্যন্ত এ রকম চলে, মার্চে যদি আর না বাড়ে, তখন নিশ্চয়ই চাইবেন পুরো সময় যেন করতে পারেন (পুরোপুরি শ্রেণি কার্যক্রম)।’

বই বিতরণের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারও বই উৎসব করার মতো অবস্থা নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কাজেই সব বিদ্যালয় ক্লাস ধরে ধরে বই দেবে। শিক্ষার্থীরা সময়মতোই বই পেয়ে যাবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, মাধ্যমিকে ইতিমধ্যে ২১ কোটির বেশি বই বাঁধাই হয়ে গেছে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে প্রায় সব বই হয়ে যাবে। তারপরও কিছু বাদ থাকলে সেগুলোও জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া যাবে।

নতুন বছর থেকে যে দুটি শ্রেণিতে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চালুর কথা ছিল, সেগুলোয় জানুয়ারির পরিবর্তে ফেব্রুয়ারিতে বই দেওয়া হবে হলে জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন