বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রস্তাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের সব সদস্যদেশের প্রতি মিয়ানমারে অস্ত্র যাওয়া প্রতিরোধে কাজ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ প্রস্তাব নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন বলেছে, প্রস্তাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে কোনো পদক্ষেপের সুপারিশ না থাকায় বাংলাদেশ অসন্তোষ জানিয়েছে।

এ বিষয়ে ভোটদানে বিরত থাকার কারণ ব্যাখ্যায় শনিবার মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডাসহ জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর একটি কোর গ্রুপ এ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এ ক্ষেত্রে তারা আসিয়ানের সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে, যাঁরা সম্প্রতি ব্যাংককে মিয়ানমারের সামরিক নেতাসহ লিডারস সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

প্রস্তাবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো সুপারিশ বা পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, স্থায়ীভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বভূমিতে ফেরত যাওয়ার জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও এখানে বলা হয়নি। রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এসব মৌলিক বিষয় প্রস্তাবে উঠে না আসায় বাংলাদেশ ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এ প্রস্তাব মিয়ানমার প্রত্যাখ্যান করেছে বলে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজএশিয়া জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এ প্রস্তাব মেনে চলার আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এবং এটা ‘একপাক্ষিক অভিযোগ ও ভুল ধারণার’ ভিত্তিতে করা হয়েছে।

এর আগে ২৭ মার্চ মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশের অংশগ্রহণ নিয়ে সমালোচনা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতিরোধের ৭৬তম বার্ষিকীর ওই অনুষ্ঠানে মিয়ানমারে কর্মরত সব দেশের মিশনের প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত হলেও মাত্র আটটি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস ও থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিরা ওই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন