default-image

মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এ বছর মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় এমন কী পরিকল্পনা নিয়েছে, যা অর্থবহভাবে মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে আমাদের ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে বা কাজ করতে সাহায্য করবে?

আ ক ম মোজাম্মেল হক: মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের করার পর জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৩০ বছর রাষ্ট্রের ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার জন্য তাঁরা কোনো পরিকল্পনা নেননি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য কোনো উদ্যাগ গ্রহণ করেননি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের যথাযথ ইতিহাস সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। শিশু–কিশোরদের কাছে এ ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ আমরা নিয়েছি। পাঠ্যপুস্তকে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি।

আপনি তো দুবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। দুই মেয়াদের দীর্ঘ সময়েও কেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্ত করা গেল না?

মোজাম্মেল হক: আমি সাত বছর আগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব নিই। দায়িত্ব নিয়েই বলেছিলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সঠিক তালিকা প্রকাশ করব। তালিকাটি যে করা হয়নি, এটি আমার ব্যর্থতা বলেই মনে করি। তবে বাস্তবতা তুলে ধরতে হলে বলতেই হবে যে আমরা ক্ষমতায় এসে এই মন্ত্রণালয়ে সঠিকভাবে কোনো কাগজপত্র পাইনি। দেখা গেছে, কারও গেজেটে নাম আছে কিন্তু তালিকায় নাই, নথিতে নেই। প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয়ে জনবল কম ছিল। কাজ করার জায়গা ছিল না। সব মিলিয়ে যা–তা অবস্থা। এসব ঠিক করতে করতেই দীর্ঘ সময় লেগে গেছে। এখন সবকিছু কম্পিটারাইজড করা হয়েছে, সবকিছু একটি সুশৃঙ্খলতার মধ্যে চলে এসেছে। আশা করি, আমাদের সাত বছরের অপারগতা এবার দ্রুতই কাটিয়ে উঠব। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই আপনারা ভিন্ন চিত্র দেখতে পাবেন।

আমরা কি নিশ্চিত করে বলতে পারি, জাতি এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল তালিকা পেতে যাচ্ছে? কোন বিচারে অন্যবারের চেয়ে এবারের তালিকাটিকে আপনারা সঠিক বলে মনে করছেন?

মোজাম্মেল হক: ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে আমরা সমস্ত তালিকা প্রকাশ করেছি। যারা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশ নিয়ে সনদ নিয়েছেন, তাঁরা যেভাবেই তা নিয়ে থাকুন—প্রতারণা করে নিক বা অন্যায়ভাবে জামুকার সুপারিশ ছাড়া নিয়ে থাকুন—সবার তালিকাই আমরা প্রকাশ করেছি। আগে আমাদের কাছে সব তালিকা সংরক্ষিত ছিল না। ভারতীয় তালিকার পুরোটা ছিল না। আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে সব ধরনের তালিকা নিয়ে এসে জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করেছি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জামুকার ওয়েবসাইটে সেসব প্রকাশ করেছি। কল্যাণ ট্রাস্টেও তালিকাটি জমা করেছি। লাল মুক্তিবার্তাতে আসা কিছু নাম নিয়ে অভিযোগ ছিল, সেগুলোও যাচাই-বাছাই করেছি। তা ছাড়া ৩০ জানুয়ারি জামুকার সুপারিশে যাঁরা সনদ নিয়েছেন, তা যাচাই–বাছাই করা হবে। আমাদের মনে হয় না যে সবাই অনিয়ম করে সনদ নিয়েছেন। ৩০ তারিখে যাচাই–বাছাইয়ের পর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আমরা চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশ করব। এক মাস সময় দিয়ে দেশবাসীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যদি কোনো অমুক্তিযোদ্ধার নাম সেখানে থাকে, কেউ যদি অন্যায়ভাবে সনদ নিয়ে থাকেন কিংবা যদি সেখানে কোনো তথ্যগত ত্রুটি থাকে—সেসব অভিযোগ পর্যালোচনা করে আমরা যতটা পারি সংশোধন করব। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে যাচাই হবে। তবে ২৬ মার্চ আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি চূড়ান্ত প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব। প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাকে একটি স্থায়ী সনদ দেওয়া হবে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা সাত ধরনের বারকোডসহ একটি স্মাট কার্ড পাবেন। আমরা এমন কঠিনভাবে সনদ বা পরিচয়পত্র তৈরি করছি, যেটি জাল করা সম্ভব হবে না। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কী কী নাগরিক সুবিধা পাবেন, সেটি কার্ডের পেছনে লেখা থাকবে।

বিজ্ঞাপন

তালিকা চূড়ান্ত করার পর যাঁরা বাদ যাবেন, তাঁরা এত দিন যে সম্মানী ভাতা পেয়েছেন, তার কী হবে?

মোজাম্মেল হক: অবশ্যই সবাইকে ভাতা ফেরত দিতে হবে। এ জন্য সরকারের যেসব আইন আছে, তা আমরা প্রয়োগ করব। তবে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে ভাতা ফেরত নেওয়া সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

আমরা দেখেছি, তিন হাজার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করা হলেও কারও বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সনদ বাতিল হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধের মতো মহত্তম ঘটনা নিয়ে যাঁরা প্রতারণা করেছেন বলে প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?

মোজাম্মেল হক: বিদ্যমান আইন আর আদালতের দীঘর্সূত্রতার কারণে শাস্তি বিলম্বিত হয়, শাস্তি দেওয়া যায় না। অনেকেই রিট করে বসে থাকেন। তবে যেসব কর্মকর্তা এসব সনদ দিয়েছিলেন, তাঁরাও দায় এড়াতে পারেন না। যে আমলে অমুক্তিযোদ্ধাদের সনদ দেওয়া হয়েছে, তখনকার মন্ত্রী ও সচিবদের এর দায়ভার নিতে হবে। এটি একটি দীর্ঘ কাজ। তবে তালিকা প্রকাশের পর শাস্তির প্রক্রিয়া আমরা শুরু করব।

তালিকা যাচাই–বাছাই ও প্রকাশের কাজে আপনারা এ পর্যন্ত কত টাকা ব্যয় করেছেন?

মোজাম্মেল হক: আমরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কোনো টাকা খরচ করেছি বলে মনে হয় না। আমরা কোনো থোক বরাদ্দ নিইনি, অপচয়ও করিনি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার সময় তৎকালীন প্রতিমন্ত্রীর আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সনদ নেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল, কোনো কাজ হয়নি। সেটা আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এটা তো সত্যি যে শহীদ বুদ্ধিজীবীদেরও সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ কোনো তালিকা নেই। সে তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। কাজটি কত দূর এগোল? কবে নাগাদ আমরা সেটা পাব?

মোজাম্মেল হক: আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংজ্ঞা নির্ণয়ের জন্য কাজ শুরু করেছি। অনেক আবেদন আমাদের কাছে এসেছে। আমরা আশা করছি, মে মাসের মধ্যেই এই তালিকাটি চূড়ান্ত করতে পারব। আগে যে তালিকা ছিল, তা–ও অনুমোদন করা হয়নি। আমরা সেই তালিকাগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি।

দেখা যাচ্ছে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি এবং বধ্যভূমি সংরক্ষণসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি খুবই সামান্য, ৫ শতাংশের নিচে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের যে আবেগ আমরা প্রকাশ করি, সে বিচারে কাজের অগ্রগতিকে কি আমরা সন্তোষজনক বলতে পারব?

মোজাম্মেল হক: আমরা আগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা সমাধি তৈরি করে দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিলাম। কিন্তু কোনো ঠিকাদার পাওয়া যায়নি। এখন আমরা সহজ শর্তে উপজেলা ভিত্তিতে কাজটি করার পরিকল্পনা করেছি। কাজটি এবার শতভাগ সম্পন্ন হবে বলে মনে করি। বধ্যভূমির কাজের গতিও একইভাবে বেড়েছে।

  • কারও গেজেটে নাম আছে কিন্তু তালিকায় নাই, নথিতে নেই। প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব করা হয়েছিল।

  • আগে আমাদের কাছে সব তালিকা সংরক্ষিত ছিল না। ভারতীয় তালিকার পুরোটা ছিল না। আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে সব ধরনের তালিকা নিয়ে এসে জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করেছি।

  • আমরা এমন কঠিনভাবে সনদ বা পরিচয়পত্র তৈরি করছি, যেটি জাল করা সম্ভব হবে না। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কী কী নাগরিক সুবিধা পাবেন, সেটি কার্ডের পেছনে লেখা থাকবে।

  • অবশ্যই সবাইকে ভাতা ফেরত দিতে হবে। এ জন্য সরকারের যেসব আইন আছে, তা আমরা প্রয়োগ করব।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংজ্ঞা নির্ণয়ের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। অনেক আবেদন এসেছে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের বিভিন্ন সংস্থা, গুলিস্তান মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্ল্যাট–বাড়ি ইত্যাদির কমর্কাণ্ড ও বরাদ্দ নিয়ে নানা অভিযাগ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পবিত্র নামাঙ্কিত এসব প্রতিষ্ঠানকে কি আমরা আদৌ বিতর্কের ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে পারব?

মোজাম্মেল হক: যখন যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা এমনভাবে চুক্তি করে গেছেন, প্রতিটিরই মামলা চলছে। যাঁরা আগে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা ঠিকাদার বা ডেভেলপারদের অনেক সুযোগ–সুবিধা দিয়ে গেছেন। কল্যাণ ট্রাস্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে, তার জন্য আমরা মামলা করেছি; কোনো রায় পাইনি। এ ছাড়া আরবিট্রেশনে যাওয়ার জন্যও আমরা মামলা করেছি। কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। ১০ বছর ধরে মামলা ঝুলছে। জামুকায় অনেকেই নিয়োগ পেয়েছেন আইনের বাইরে গিয়ে। এসব সমস্যার সমাধান দ্রুতই সম্ভব নয়।

গত ৫০ বছরেও মুক্তিযুদ্ধের দলিল সংগ্রহে দৃশ্যমান উদ্যোগ কম। তৈরি হয়নি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মহাফেজখানা। জাতীয় জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের অজস্র নথি অগোছালোভাবে পড়ে আছে। এসব ব্যাপারে কি মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ কম?

মোজাম্মেল হক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় অর্থায়ন করলেও এর মূল দায়িত্ব জাতীয় জাদুঘরের। বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। এটি আমরা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য কর্মকর্তা পাঠাব। এত গুরুত্বপূর্ণ দলিল আমরা নষ্ট হতে দেব না।

১৯৭৩ সালে দালাল আইনে করা মামলার আসামিদের নাম–ঠিকানাসহ অমূল্য সব নথি তথ্য আইন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গায়েব হয়ে গেছে। আপনারা কি এ ব্যাপারে কিছু জানেন? সেসব উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ কি আছে?

মোজাম্মেল হক: আমরা বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি। এখন তাঁরাই বলতে পারবেন কী অবস্থায় আছে। তবে মুক্তিযুদ্ধের নথি গায়েব হয়ে যাওয়াটা বিস্ময়কর কিছু নয়। কারণ, জামায়াতে ইসলামীর মুজাহিদ-নিজামী সাহেবরা এখানে ছিলেন। এসব আত্মস্বীকৃত অপরাধীদের পক্ষে এসব দালিলিক প্রমাণ ও নথি গায়েব করাটা অস্বাভাবিক নয়। তারা স্বাধীনতার বিপক্ষে সব সময় কাজ করে এসেছেন।

বিজ্ঞাপন

মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি দলিল সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। সেসব সংগ্রহ করার কোনো কথা কি আপনারা ভাবছেন?

মোজাম্মেল হক: আমরা এ মাসেই একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে একটি কমিটি হয়েছে। ওই কমিটির আমি আহ্বায়ক। সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার যেসব তথ্যচিত্র, মূল্যবান দলিল, ভিডিও, নথি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে, সেসব আমরা সংগ্রহ করব। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দূতাবাসগুলোকে এসব সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এ ছাড়া যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে এসব দলিল থেকে থাকে, তবে তা আমাদের দিতে অনুরোধ করব। এ জন্য শিগগিরই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী এবং তারপরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনারা কি বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন?

মোজাম্মেল হক: অপারেশন জ্যাকপট নামে আমরা একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করব। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরব। আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছি একটি অ্যাপস তৈরি করে দিতে। সেটির মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে আমরা জানতে চাইব, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাদের ভাবনা কী, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা কী। সেই অ্যাপসের মাধ্যমে চারটি ভাষায় সেসব তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা একটি ডিজিটাল জাদুঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন