বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবন শান্তির জন্য এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। সে কারণে তিনি বাংলাদেশের ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। জুলিও কুরি পুরস্কার প্রাপ্তিতে বঙ্গবন্ধু যেমন সম্মানিত হয়েছেন, বাঙালি জাতিও তেমনি সম্মানিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করতেন।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু না থাকলেও তাঁর মহান আদর্শ, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় মূল বক্তা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক বীর প্রতীক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। জুলিও কুরি পুরস্কার গ্রহণকালে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা পাঠ করেন রাষ্ট্রাচার প্রধান আমানুল হক।

অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী এবং বাংলাদেশের দূতাবাস প্রধানেরা। এ ছাড়া বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, বিশ্ব শান্তি পরিষদ বাংলাদেশ অংশের সভাপতি মোজাফফর হোসেন। এ সময় ‘শান্তির দূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন