বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংসদ মুরাদ হাসানের অডিও-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে গত মঙ্গলবার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
পরে বিটিআরসির ডিজিটাল নিরাপত্তা দলের সদস্যরা লিংকগুলো শনাক্ত করেন। মহাপরিচালক মো. নাসিম পারভেজ বলেন, ‘ধর্ষণ শব্দ যে কনটেন্টগুলোতে (আধেয়) আছে, সেগুলো বিটিআরসি বলার আগেই ফেসবুক সরিয়ে দিয়েছে।’

এদিকে বিটিআরসির পাঠানো মুরাদের ১২০টি ইউটিউব কনটেন্টের মধ্যে দুটি সরানো হয়েছে। এ বিষয়ে মো. নাসিম পারভেজ বলেন, ইউটিউবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু ইউটিউব তাদের নীতিমালায় খুবই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সেখানে কনটেন্ট রিপোর্টিংয়ের ব্যবস্থা আছে। রিপোর্ট করার পর তাদের দল কাজ করে। বিটিআরসির সঙ্গে ‘টিম বিল্ডিং’ আরও ভালো করতে ইউটিউব এখনো রাজি হচ্ছে না। তবে বিটিআরসি চেষ্টা চালাচ্ছে।

ফেসবুক থেকে এখনো না সরানো মুরাদ হাসানের কনটেন্টগুলো সম্পর্কে মো. নাসিম পারভেজ বলেন, ভিডিও কনটেন্টে অতিরিক্ত কিছু কথোপকথন থাকে। সেটা আলাদা করে দেখতে হয়। ২০২১ সালে থেকে ফেসবুকের সঙ্গে সম্পর্কের খুব উন্নতি হয়েছে। এখন তিন মাস পরপর মিটিং হয় তাদের সঙ্গে।

প্রসঙ্গত, দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লায় সৃষ্ট ঘটনায় ফেসবুক একটি বিশেষ দল গঠন করেছিল, যাতে সে ঘটনার লিংক ছড়াতে না পারে। তখন বিটিআরসি, ফেসবুকের আলাদা দল কাজ করে। কুমিল্লার মতো পরিস্থিতিতে ফেসবুক ও বিটিআরসি যে সাড়া দিয়েছে, তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করেন মো. নাসিম পারভেজ। এর ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

বিটিআরসির আট সদস্যের ডিজিটাল নিরাপত্তা দল সম্পর্কে মো. নাসিম পারভেজ বলেন, রাষ্ট্র ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর, এমন উপাদান শনাক্ত করে রিপোর্ট করে দলটি। কিন্তু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পর্যায়ে ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো সমস্যা হলে বিটিআরসিতে অভিযোগ না করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করতে হবে। বাহিনী যখন আমাদের কাছে আসবে, তখন বিটিআরসি ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট করবে।

ফেসবুক ও ইউটিউবের কোনো কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার ক্ষমতা কোনো দেশের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নেই বলেও জানান মো. নাসিম পারভেজ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন