বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইনজীবী সূত্রে তথ্যমতে, গত মার্চে ওই একাডেমি খেলার মাঠে এক মাসের জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা করার জন্য তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনকে (বিসিক) অনুমতি দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগ। তবে মেলার সময় শেষ হলেও একাডেমি খেলার মাঠে এখনো রয়ে গেছে মেলার স্টলের অবকাঠামোগুলো। এ অবস্থায় মাঠে থাকা টিনশেড, সরঞ্জামাদিসহ অন্য অবকাঠামো সরাতে সিটি করপোরেশনের মেয়রের কাছে আবেদন করেন শাহজালাল উপশহর একাডেমির সভাপতি এম এ ওয়াদুদ। এতে ফল না পেয়ে ১২ সেপ্টেম্বর তিনি রিটটি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, সৈয়দ ফজলে এলাহী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ২০০০ সালের প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুসারে পৌর এলাকার উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান ও খেলার মাঠ কোনোভাবেই ইজারা, ভাড়া বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। অথচ নির্ধারিত সময়ের পর প্রায় ছয় মাস ধরে একাডেমির খেলার মাঠে এখনো অবকাঠামো ও বেষ্টনী রয়েছে। এসব অপসারণ চেয়ে রিটটি করা হয়। হাইকোর্ট আই ব্লকে অবস্থিত একাডেমি খেলার মাঠে মেলা উপলক্ষে থাকা সব ধরনের অবকাঠামো এক মাসের মধ্যে সরাতে নির্দেশ দিয়েছেন। সেখানে থাকা অবকাঠামো অপসারণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন