বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাসসের খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুতুলের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই আজ অটিজমে আক্রান্তরা সমাজের মূলধারার সঙ্গে মিশে যেতে পারছে, স্বীকৃতি পেয়েছে। অটিজম শিশুদের কোনো মা-বাবাই লোকলজ্জার ভয়ে এখন আর লুকিয়ে রাখেন না। সেই মানসিকতারও পরিবর্তন এসেছে।’

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বাংলাদেশে অটিজমবিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন।

সেই সঙ্গে তাঁর পরিচালিত সূচনা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ডব্লিউএইচওর মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্যানেলে থেকেও কাজ করে যাচ্ছেন। পুতুলের উদ্যোগেই ২০১১ সালে ঢাকায় প্রথমবারের মতো অটিজমের মতো অবহেলিত একটি বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী অংশগ্রহণ করেন। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলাদেশে ‘নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিজঅ্যাবিলিটি ট্রাস্ট অ্যাক্ট ২০১৩’ পাস করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর প্রদান করা পরামর্শের ওপর ভিত্তি করেই জাতিসংঘ বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ২০১৪ সালে সায়মা ওয়াজেদকে ‘এক্সেলেন্স ইন পাবলিক হেলথ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে। উল্লেখ্য যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যাবলিতে অটিজমের বিষয়টি তিনিই সংযুক্ত করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি ইউনিভার্সিটি থেকে ‘স্কুল সাইকোলজি’ বিভাগে বিশেষ ডিগ্রি অর্জন করেন সায়মা ওয়াজেদ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) একজন ট্রাস্টি তিনি।

২০১৯ সালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সৃষ্টিশীল নারী নেতৃত্বের ১০০ জনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন