default-image

চলতি ২০২১-২২ মৌসুমের চায়ের প্রথম নিলামে প্রায় ২০ কোটি টাকার চা বিক্রি হয়েছে। সোমবার চট্টগ্রামের প্রগ্রেসিভ টাওয়ারে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।
চা বোর্ড ও চা ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম নিলামে ১৫ লাখ ২৫ হাজার কেজি চা বিক্রির জন্য তোলা হয়। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কেজি চা বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ নিলামে যত চা তোলা হয়েছে, তার ৬২ শতাংশ বিক্রি হয়। বিক্রি হওয়া চায়ের প্রতি কেজির গড় মূল্য ছিল ২১১ টাকা ৩৯ পয়সা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ চা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শাহ মঈনুদ্দিন হাসান সোমবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, করোনা ও রমজানের কারণে প্রথম নিলামে চায়ের বিক্রি তুলনামূলক কম। তবে ভালো মানের চায়ের চাহিদা ছিল।

চা ব্যবসায়ীরা জানান, নিলামে ভালো মানের চায়ের চাহিদা থাকলেও পরিমাণে ছিল কম। চা প্যাকেটজাতকারী বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বেছে বেছে ভালো মানের চা কেনায় সাড়া দিয়েছে। তবে সাধারণ ক্রেতারা সক্রিয় ছিলেন।

২০২০-২১ সালের প্রথম নিলামে ১১ লাখ কেজি চা নিলামে তোলা হয়েছিল। সেবার প্রতি কেজি চায়ের গড় দাম উঠেছিল ২১২ টাকা ৪৬ পয়সা।

বিজ্ঞাপন

চায়ের নিলামের মৌসুম হলো মে থেকে মার্চ পর্যন্ত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ চা ব্যবসায়ী সমিতি এই নিলামের আয়োজন করে। এই মৌসুমে চট্টগ্রামে ৪৫টি এবং সিলেটের শ্রীমঙ্গলে ২২টি নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামে প্রতি সপ্তাহে একটি করে এবং শ্রীমঙ্গলে প্রতি মাসে দুটি করে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। নিলামে বছরে কমবেশি দেড় হাজার কোটি টাকার চা বিক্রি হয়।

চা বিপণনের নিয়মানুযায়ী, বাগানে উৎপাদিত চা নিলামে তুলে বিক্রি করতে হয়। নিলামে কেনার পর কর পরিশোধ করে গুদাম থেকে তা খালাস করে নেন ক্রেতারা।

এরপরই তা বাজারজাত করার সুযোগ আছে। আবার বাগানমালিকেরা চাইলে নিজেদের উৎপাদিত চায়ের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ নিজেরা প্যাকেটজাত করতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন