চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক আইন এবং সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত চর্চাগুলোকে সমর্থন করি, যেগুলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ও জাতিসংঘ সনদের মূল ভিত্তি। আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি, সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করতে হবে।’

লি জিমিং বলেন, চীন একটি অভিন্ন, সমন্বিত, সহযোগিতামূলক ও স্থায়ী নিরাপত্তার ভাবনাকে উৎসাহিত করে। রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই পক্ষেরই বৈধ নিরাপত্তার উদ্বেগগুলোর ভালোভাবে নিষ্পত্তি হলে ও বিদ্যমান সবচেয়ে বৃহৎ সামরিক জোট তার প্রতি সম্মান দেখালে সশস্ত্র সংঘাত এড়ানো যেত। স্নায়ুযুদ্ধের মানসিকতা ও জোটকেন্দ্রিক সংঘাত-সংঘর্ষ বিশ্বের জন্য একটি অভিশাপ ছাড়া কিছুই নয়, পুনরায় এই সত্যের শিক্ষা লাভ করতে গিয়ে মানবতাকে এক বিশাল মূল্য দিতে হলো।

সংকটের সমাধানে আলোচনা ও মানবিক সহায়তায় বেইজিং জোর দিচ্ছে উল্লেখ করে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিতে চীন দুটি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে: শান্তি আলোচনা উৎসাহিত করা এবং মানবিক সংকটের সমাধান। চীন ছয় দফার একটি মানবিক উদ্যোগ সামনে এনেছে এবং এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের যুদ্ধবিধ্বস্ত জনগণের জন্য কোটি কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

সংকট সমাধানে এখন কোনটা করা উচিত, সে বিষয়ে মতামত চেয়ে লি জিমিং বলেন, ‘আহ্বানটা যুদ্ধবিরতির, নাকি শত্রুতার; খাবারের সরবরাহ, নাকি প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ; আগুন নেভানোর চেষ্টা, নাকি আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়া, কোনটি সংকটের উত্তরণ সহজ করবে আর কোনটি সমস্যাকে আরও ঘনীভূত করছে? আপনি কী মনে করেন?’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন