বিজ্ঞাপন

জিডিতে বলা হয়, ১৭ মে রোজিনা তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় (ডি-অ্যাকটিভেড) করেছিলেন। বর্তমানে কে বা কারা রোজিনার আইডিটি চালু করে রেখেছে। তাতে রোজিনা প্রবেশ করতে পারছেন না। তাঁর জিমেইল আইডিতেও প্রবেশ করতে পারছেন না।

গতকাল সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে শাহজাহানপুর থানার কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, থানার এসআই জাহিদুল ইসলামকে এই জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কারামুক্ত রোজিনা ইসলাম ১৭ মে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচিবালয়ে গেলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তাঁকে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রাখেন। সেখানে রোজিনা ইসলাম নির্যাতন-নিগ্রহের শিকার হন। তখন তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। পরে রোজিনাকে শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে তাঁর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডবিধিতে মামলা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওই মামলায় তাঁর মোবাইল ফোনও জব্দ দেখানো হয়। রোজিনা ইসলাম পাঁচ দিন কারাবাসের পর গত রোববার জামিনে মুক্ত হন। এরপর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন