বিজ্ঞাপন

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ১৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা ও নির্যাতন করা হয়। ওই দিন রাতেই রোজিনার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার রোজিনা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। রোজিনার আইনজীবীরা তাঁর জামিন চান। আদালত রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে রোজিনাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আর জামিন আবেদনের ওপর অধিকতর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন রাখেন। রোজিনা ইসলামের জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ হয়। আদালত তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। ওই দিন বিকেলে জানানো হয়, রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য উপস্থাপন ও জামিন বিষয়ে রোববার (কাল) আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

default-image

রোজিনা ইসলামকে নিপীড়ন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সারা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। রাজধানীসহ সারা দেশে আজও নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সমাজ।
আজ সন্ধ্যা সাতটায় প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়।

মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুমিত আল রশিদ বলেন, ‘যখনই আমরা পত্রিকার পাতায় নজর দিই, তখন দেখতে পাই সেখানে থাকা বার্তার মাধ্যমে দেশের মানুষকে আলোকিত করা হয়। এই আলোর সহযাত্রী ছিলেন রোজিনা ইসলাম। আমরা আশা করছি, কাল তিনি মুক্তি পাবেন।’
বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী মৌ এই প্রজ্বালন কর্মসূচিতে বলেন, সারা দেশে ১২৯টি বন্ধুসভা একযোগে মোমবাতি প্রজ্বালনের এ কর্মসূচি নিয়েছে। রোজিনা ইসলাম সত্যের সন্ধানী ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করে আলোরূপী সত্যকে আঁধারে ঢাকার অপচেষ্টা চলছে। আর এর বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতীকী প্রতিবাদ।

বন্ধুসভার ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি নাজমুল এইচ পলাশ বলেন, রোজিনা ইসলামের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা ন্যক্কারজনক। যারা এ কাজ করেছে, তারা আঁধারে ডুবে আছে। আলো জ্বালিয়ে আমরা বলছি, এ আঁধার দূর হোক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন