বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাগেরহাটের মোট ১৪ হাজার ৩০ জন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষমাণ ছিলেন। ওই টিকার মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই প্রথম ডোজ নেওয়ার পর চার-পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে। গতকাল রোববার থেকে বাগেরহাটে শুরু হয়েছে অপেক্ষায় থাকা ওই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান। এই টিকা নিতে আজ সকাল থেকে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল টিকাদান কেন্দ্রে দীর্ঘ সারি পড়ে যায়।

টিকাকেন্দ্রে ভিড়ের কারণে বিড়ম্বনার পাশাপাশি এত দিন পরে নেওয়ায় টিকার কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন কেউ কেউ। তাঁদের একজন জেলা শহরের কাড়াপাড়া এলাকার মমতাজ বেগম। তিনি বলেন, ‘মার্চের ৩ তারিখে আমি টিকার প্রথম ডোজ নিই। দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার কথা ছিল মে মাসের ৩ তারিখে। এখন আমি টিকা পাচ্ছি আগস্ট মাসের ৯ তারিখে। প্রথম ডোজ পাওয়ার পাঁচ মাস পর টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাচ্ছি। এই টিকায় কাজ হবে কি না, আমার সন্দেহ আছে। তবু দিতে হবে, তাই দিচ্ছি।’

টিকাকেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা রেড ক্রিসেন্টের বাগেরহাট ইউনিটের সদস্য নাইমুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একটি কেন্দ্রে চীনের সিনোফার্ম টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া চলছে। এর মধ্যেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। ফলে টিকা নিতে আসা মানুষের চাপ খুব বেশি।

চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটে করোনার টিকাদান শুরু হয়। তখন টিকা নিতে জেলার ৯০ হাজার ৪৭১ জন নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৭৮৪ জন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রানেকার টিকা নেন। দুই ডোজই নেওয়া সম্পন্ন করেন ৪০ হাজার ৭৫৪ জন।

ওই টিকার দ্বিতীয় ডোজ না দেওয়ার জন্য বাগেরহাটে এরই মধ্যে ১২ হাজার ডোজ টিকা এসেছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন কে এম হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বাগেরহাটের জন্য প্রথমে ৪৮ হাজার টিকা বরাদ্দ ছিল। তবে প্রথম থেকেই এখানে টিকা নিতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা বেশি। তাই যেসব জেলায় টিকা বেশি ছিল, সেখান থেকেও টিকা এনে দেওয়া হয়েছিল। সবাই টিকা পাবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন