বিজ্ঞাপন

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইওএম এটি নিশ্চিত করেছে। এতে বলা হয়, লিবিয়া প্রস্থানের আগে প্রত্যাবর্তনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কাউন্সেলিং পরিষেবা, যাতায়াত, স্ক্রিনিংসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয় আইওএম। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সব প্রত্যাবর্তনকারীকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দেওয়া হয় এবং প্রস্থানের আগে কোভিড-১৯ পরীক্ষা (পিসিআর) করা হয়।

ঢাকায় সরকারি কর্মকর্তা এবং আইওএম বাংলাদেশের কর্মীরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসীদের গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে ফিরতে প্রত্যেক প্রত্যাবর্তনকারীকে আর্থিক সহযোগিতাও দেয় আইওএম।

আইওএম বলছে, ফিরে আসা প্রত্যেককে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সহযোগিতা করবে আইওএম, যাতে তাঁরা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। এ সহযোগিতা ফিরে আসা আভিবাসীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যাঁরা শারীরিক ও মানসিক আঘাতের শিকার হয়েছেন।

আইওএমের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফিরে আসা এক অভিবাসী বলেছেন, লিবিয়ায় জীবন অত্যন্ত বিপজ্জনক ছিল। কারণ, সেখানে প্রতিকূলতা অব্যাহত ছিল। পর্যাপ্ত অর্থ উপার্জন করতে না পারায় দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেখানে থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছিল।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, বাংলাদেশি অভিবাসীরা লিবিয়ায় অসহায় অবস্থায় ছিলেন। কোভিড-১৯ তাঁদের বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়। এই অভিবাসীদের নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে ফিরিয়ে আনা এবং তাঁদের পুনরেকত্রীকরণে সহযোগিতা করা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

আইওএম জানায়, স্বেচ্ছায় মানবিক প্রত্যাবর্তন (ভিএইচআর) কর্মসূচি আটকে পড়া বা আটকে থাকা অভিবাসীদের, বিশেষত দ্বন্দ্ব-সংঘাতগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী। ২০১৫ সাল থেকে মোট ২ হাজার ৯৪২ জন বাংলাদেশি এই কর্মসূচির মাধ্যমে লিবিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন