বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, লিবিয়ায় বিনা অনুমতিতে ছবি তোলার মাধ্যমে স্থানীয় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সাংবাদিক জাহিদুর রহমানকে আটক করা হয়। লিবিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের মধ্যস্থতায় লিবিয়া সরকার তাদের দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে। জাহিদুর টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ৩ মার্চ টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হন জাহিদুর রহমান। পরদিন লন্ডনে পৌঁছান। ইংল্যান্ডের পর তিনি স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ভ্রমণ শেষে লিবিয়ায় যান।

২৩ মার্চ থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এর আগের দিন অর্থাৎ ২২ মার্চ দুপুরে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির ময়দানে সোহাদা নামে পরিচিত গ্রিন স্কয়ারে গিয়ে তিনি একাধিক ছবি তোলেন। সেখান থেকে তিনি লেপসিস ম্যাগনা এলাকায় যান। গ্রিন স্কয়ারে লিবিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে এক বৃদ্ধের সঙ্গে তোলা একাধিক ছবিও তিনি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন লিবিয়াপ্রবাসী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম এবং তাঁদের স্থানীয় গাড়িচালক মোহাম্মদ খালেদ। জাহিদুরের পাশাপাশি সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ খালেদও নিখোঁজ হন। পরে ২৮ মার্চ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সেখানকার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানতে পারেন, তাঁরা লিবিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন।

জাহিদুর রহমান ঢাকার সাভারের শিমুলতলা এলাকায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তিনি প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমানের মালিকানাধীন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন পরিচালক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন