আইনজীবী সূত্রের তথ্যমতে, ল্যাব অ্যাটেনডেন্টদের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাবরেটরি) পদে পদোন্নতিসংক্রান্ত বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিভাগীয় নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালার বিধান চ্যালেঞ্জ করে বেকার অ্যান্ড প্রাইভেট সার্ভিসেস মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএমটিএ) পক্ষে ২০১৮ সালে রিটটি করা হয়। এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) এক আদেশে ওই ১৫ জনকে দেওয়া পদোন্নতির বৈধতা নিয়ে সম্পূরক আবেদনটি করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

পরে আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট রুল দেন।

এই রুল বিচারাধীন অবস্থায়—এর তথ্য গোপন করে ল্যাব অ্যাটেনডেন্টরা গত বছর একটি রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ল্যাব অ্যাটেনডেন্টদের পদোন্নতির আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তাঁদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ অবস্থায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পক্ষ থেকে সম্পূরক আবেদনটি করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন