শিমুলিয়া নদীবন্দরের নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আবহাওয়া সারা দিন স্বাভাবিক ছিল; কিন্তু রাত ৯টার দিকে হঠাৎ প্রচণ্ড বাতাসের সঙ্গে ধূলিঝড় শুরু হয়। এ কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ১০টার পরিবর্তে ৯টার দিকে শিমুলিয়া নদীবন্দরে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সন্ধ্যা ছয়টার পর থেকে প্রতিদিনের মতো স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার সকাল থেকে আবারও যথাসময়ে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু হবে।

ঘাট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী শিমুলিয়া লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিঘাটে প্রচণ্ড যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল। রাত ১০টার দিকে ফেরির পার্কিং ইয়ার্ডে পারাপারের জন্য কোনো ছোট গাড়ি ছিল না। তবে ১৫০টি পিকআপ পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। শিমুলিয়া নদীবন্দর লঞ্চঘাটে সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত লঞ্চের ৩৫৮টি ট্রিপ বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌপথে ছেড়ে গেছে। লঞ্চ ও স্পিডবোটে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার যাত্রী পারাপার হয়েছে।

ঈদে নিরাপদে যাত্রী পারাপারে বিআইডব্লিউটিএকে জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, এপিবিএন, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিসি, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার ও ভিডিপি, মুন্সিগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কর্তৃক নিয়োজিত চিকিৎসক দল, সংশ্লিষ্ট ইজারাদার এবং লঞ্চ মালিক সমিতি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

এদিকে আজ সারা দিন শিমুলিয়া লঞ্চঘাট থেকে সাতজন পকেটমার আটক করে ডিবি পুলিশ। শিমুলিয়া ঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে দুটি লঞ্চকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মন্তব্য করুন